
নিউজ ডেস্ক।। মহারাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে বলিউডের কন্ট্রোভার্সি কুইন কঙ্গনা রানাউতের দ্বন্দ্ব চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরেই। সম্প্রতি মুম্বই টুইট নিয়ে নতুন বিতর্কে জড়িয়েছিলেন বলিউডের কুইন। এই দ্বন্দ্বের মধ্যেই আজই মুম্বই ফিরেছেন কঙ্গনা রানাউত। মুম্বইয়ে পা রাখতে না রাখতে তার স্বপ্নের প্রোডাকশন হাউস ‘মণিকর্ণিকা ফিল্মস’ দফতরে ভাঙচুর চালায় বিএমসি। গতকালই মুম্বইয়ের পালি হিলে কঙ্গনার প্রোডাকশন হাউসের বাইরে নোটিস ঝুলিয়ে দেয় বিএমসি। আগামী ২৪’ঘন্টার মধ্যেই তার জবাব দিতে বলা হয়েছিল অভিনেত্রীকে। কিন্তু বুধবার সকাল পর্যন্ত কোনও উত্তর না পৌঁছতেই দুপুরবেলা বুলডোজার, জেসিবি মেশিন, ক্রেন দিয়ে ভাঙা চালু শুরু করেছিল বিএমসি।
আজই মুম্বই ফিরেছেন কঙ্গনা রানাউত। মুম্বইয়ে পা রাখতে না রাখতে তার স্বপ্নের প্রোডাকশন হাউস ‘মণিকর্ণিকা ফিল্মস’ দফতরে ভাঙচুর চালায় বিএমসি। বেআইনি নির্মানের কারণেই গতকাল মুম্বইয়ের পালি হিলে কঙ্গনার প্রোডাকশন হাউসের বাইরে নোটিস ঝুলিয়ে দেয় বিএমসি। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যেই তার জবাব দিতে বলা হয়েছিল অভিনেত্রীকে। কিন্তু বুধবার সকাল পর্যন্ত কোনও উত্তর না পৌঁছতেই দুপুরবেলা বুলডোজার, জেসিবি মেশিন, ক্রেন দিয়ে ভাঙা চালু শুরু করেছিল বিএমসি।
কঙ্গনা অফিস ভাঙ্গার পিছনে বিশেষ ১০’টি কারণ রয়েছে। কোন বিশেষ কারণে বিএমসি কঙ্গনার অফিসে ভাঙচুর চালায়। সেই বিশেষ ১০’টি কারণের জন্য কঙ্গনার স্বপ্নের প্রোডাকশন হাউস ভেঙে দেওয়া হয়েছে।
১. কঙ্গনা তার অফিসের প্রথম তলার টয়লেটটি একটু কেবিন হিসেবে তৈরি করেছিলেন
২.অভিনেত্রী তার রান্নাঘরটি কাগজে বর্ণনা করেছেন যা তিনি স্টোর রুম হিসেবে ব্যবহার করছেন।
৩.স্টোর রুমের সিড়ির কাছ পার্কিংয়ের জায়গায় নতুন টয়লেট তৈরি করা হয়েছিল।
৪.নিচের তলায় প্যান্ট্রি তৈরির কাজ চলছিল।
৫.প্রথম তলায় থাকার ঘরে কাঠের পার্টিশন তৈরি করা হচ্ছিল।
৬.ফাস্ট ফ্লোর ঠাকুরের মন্দিরের জায়গায় একটি সভা কক্ষ তৈরি করা হয়েছে।
৭.অনুমতি ছাড়াই প্রথম তলায় খোলা চত্ত্বরে শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে।
৮.দ্বিতীয় তলার সিড়ির অবস্থান পরিবর্তন করা হয়েছে।
৯.ফার্স্ট ফ্লোরের সামনের দিকটা অনুভূমিক পথ।
১০.দ্বিতীয় তলায় বিনা অনুমতিতে প্রাচীর সরিয়ে তা বারান্দা করা হয়েছিল।
স্বপ্নের এই প্রোডাকশন হাউস তৈরি করতে ৪৮ কোটি টাকা খরচ করেছিলেন কঙ্গনা। মণিকর্ণিকা ছবির পরই ২০১৯ সালে মণিকর্ণিকা ফিল্মস নামে এই প্রোডাকশন হাউস তৈরি করেন কঙ্গনা। পুরো প্রোডাকশন হাউসটি ইউরোপীয় স্টাইলে সাজানো হয়েছিল। ডিজাইনার শবনম গুপ্ত এটিকে অন্য স্টাইলে সুসজ্জিত করেছিলেন। বিএমসি যখন কঙ্গনার অফিস ভাঙে, তখন বিশাল সংখ্যাক পুলিশ বাহিনি মোতায়েন করা হয়েছিল।
বিএমসি-র কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নোটিশ পাওয়ার পরও কঙ্গনা কাজ চালিয়ে গেছে। কঙ্গনা জবাবে জানিয়েছিল যে মহারাষ্ট্র সরকার ও তার গুন্ডারা আমার সম্পত্তি নিয়ে অবৈধ পদক্ষেপ নিচ্ছে।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














