সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মতোই নিয়মিত হয়ে গেছে ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যুর খবর। এসব দুর্ঘটনার এক বড় অংশ ঘটছে রেলক্রসিং এ। রেল মন্ত্রণালয়ের হিসেবে প্রতি বছর গড়ে অন্তত ২০টি ট্রেনের সঙ্গে যানবাহনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা এড়াতে ‘ডিজিটাল ভয়েস এলার্ট ফর লেভেল ক্রসিং’ নামে একটি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন দেশের ৬ তরুণ।

সবারই খুব পরিচিত ছবি, লেভেল ক্রসিং পার হয়েছেন কিন্তু একবারও ঝুঁকি নেননি এমন মানুষ সংখ্যায় অনেক কম। অবশ্য এমন ঝুঁকির পক্ষে যুক্তিও আছে কারো কারো।বাস্তবতা হলো এসব কারণে ঘটছে দুর্ঘটনা, ঝরছে অমূল্য প্রাণ। তবে আশার কথা শোনাচ্ছেন ৬ তরুণ। তারা লেভেল ক্রসিংএর নিরাপত্তার জন্য তৈরী করেছেন ‘ডিজিটাল ভয়েস অ্যালার্ট ফর লেভেল ক্রসিং।”লেভেল ক্রসিংএর কাছে যখন একটি ট্রেন আসবে, ডিজিটাল সেন্সর সিস্টেম ট্রেনটিকে শনাক্ত করে ডিজিটাল ভয়েস এলার্ট সিস্টেমকে ওয়ারলেস সিগন্যালের মাধ্যমে জানিয়ে দেবে। ডিজিটাল ভয়েস এ্যালার্ট সিস্টেমটি তারপর এলইডি ডিসপ্লে, লাউডস্পিকার এবং রেডলাইট সিগন্যালের মাধ্যমে লেভেল ক্রসিংএর আশেপাশের জনগণকে সাবধান বার্তা দেবে’। এতে কমবে দুর্ঘটনার আশঙ্কা।রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে এই প্রযুক্তি পরীক্ষামূলকভাবে উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরের জালাল উদ্দীন সরণিতে চালুও করেছে উইভার ইনোভেশন।দেশে আড়াই হাজার লেভেল ক্রসিংএর মধ্যে গেটম্যান বা প্রতিবন্ধক রয়েছে মাত্র ৪শটিতে। শতাংশের হিসেবে ৮৫ শতাংশ ক্রসিংই অরক্ষিত।

এটি টঙ্গী বৌ বাজার এলাকার লেভেল ক্রসিং। এই লেভেলক্রসিং এ কোনো গেইটম্যানও নেই প্রতিবন্ধকও নেই। তরুণ উদ্ভাবকেরা বলছেন, সারা দেশের সব লেভেল ক্রসিং এ যদি ভয়েস এলার্ট চালু করা হয় তাহলে এই মুহুর্তে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন এমন অরক্ষিত পথের পথচারিরা।

নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইমস নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে