দেশের বিমানবন্দরগুলোতে প্রতিনিয়তই বাড়ছে যাত্রী। তবে বাড়েনি লাগেজ বেল্ট ও এগুলোর ধারণ ক্ষমতা। যার প্রভাব পড়ছে বিমানের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কার্যক্রমেও। বিশেষজ্ঞরা বলছেন ৩০ বছরের পুরনো ব্যবস্থার সংস্কার না হলে যাত্রী ভোগান্তি চরমে পৌঁছাতে পারে। নড়বড়ে লাগেজ বেল্ট ও যন্ত্রপাতি দিয়েই চলছে দেশের বিমানবন্দরগুলো। এতে যাত্রীদের মালামাল বুঝিয়ে দিতে হিমশিম খাচ্ছে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের দায়িত্বে থাকা লোকজন।

আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মান অনুযায়ী যাত্রীরা লাগেজ এরিয়ায় আসার আগেই মালামাল বেল্টে ওঠে যাওয়ার কথা। কিন্তু শাহজালাল তা হয়না। শাহজালালে আগমনের জন্য আটটি এবং বর্হিগমনে জন্য পাঁচটি লাগেজ বেল্ট । চাপ বাড়লে এগুলোর বেশিরভাগই ঠিকমত কাজ করে না। এক ভুক্তভোগি যাত্রী জানান, তিনি লাগেজের জন্য সাড়ে তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করেছেন। এর মধ্যে একবার বেল্ট বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

বিমানের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যাবস্থাপক শাকিল মেরাজ জানান, ঢাকার এই ব্যাগেট বেল্ট গুলো অনেক পুরোনো। এগুলোর কার্যক্ষমতা শেষ হয়ে গেছে। বেল্টগুলো অনেক সময় খুব স্লো ঘোরে। মাঝে মাঝে বন্ধ হয়ে যায় তখন মেরামত করতেও বেশ সময় লাগে। ওই সময় ফ্লাইট নামলে বিমানবন্দরে লাগেজ জট তৈরি হয়। শুধু ঢাকায় নয় সিলেট বিমানবন্দরেও একই অবস্থা। সিলেট বিমানবন্দরের ভারপ্রাপ্ত ষ্টেশন ম্যানেজার ওমর হায়াত, বিমানবন্দরে ট্রলি কম আছে। বেল্ট দুটোর মধ্যে একটি কাজ করে।

বিমানমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন জানালেন, বিমানবন্দর আধুনিকায়নে সীমাবদ্ধতার কথা। তিনি জানান, (শাহজালাল) বিমানবন্দরটি এমনভাবে করা আছে যে ইচ্ছে থাকলেও অনেক সুযোগ নিশ্চিত করা যায় না। বিমানবন্দরের সমস্যা সমাধানে নতুন পরিকল্পনার নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এভিয়েশন বিশ্লেষক কাজী ওয়াহিদুল আলম। তিনি বলেন, বিমানবন্দরে ব্যাগেজ পরিসর ঠিকমত নেই। যদি জায়গাটা বড় হতো তাহলে একশ ব্যাগেজের বদলে দুইশ ব্যাগেজের বড় বেল্ট করা যেত। কিন্তু তা করা যাচ্ছে না।

শাহজালালে দিনে শতাধিক উড়োজাহাজ ওঠানামা করছে। গত বছর আসা-যাওয়া করেছেন প্রায় ৬৮ লাখ যাত্রী।

নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে