মাত্র ৩০’মিনিটের অক্সিজেন সাপোর্টে বিল করা হয়েছে ৮৬ হাজার। অন্যদিকে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রোগী না দেখলেও কনসালট্যান্ট ফি ৪৯ হাজার টাকা। আরো ৪৫ হাজার টাকা সার্ভিস চার্জ যোগ করে আইসিইউ সাপোর্ট ছাড়াই ১৫ দিন হাসপাতালে থাকার খরচ ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৭শ ৫৯ টাকা। আর এই ভুতুড়ে বিল নেয়ার অভিযোগ আনোয়ার খান মর্ডান হাসপাতালের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী রোগী মোজাম্মেল হক জানান, ৩ ধাপে ৩০ মিনিট অক্সিজেন দেয়া হয়েছে তাকে। এর খরচ ঘণ্টায় ৪০০ টাকা ধরে বিল আসার কথা মাত্র ২০০ টাকা। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিলে দেখিয়েছে ২১৬ ঘণ্টার অর্থাৎ প্রায় নয় দিন অক্সিজেন সাপোর্ট দেয়া হয়েছে তাকে। আর এতে দিতে হবে ৮৬ হাজার টাকা। তিনি আরো জানান, কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তাকে দেখতে না এলেও বিলে কনসালটেন্ট চার্জ দেখানো হয়েছে ৪৯ হাজার টাকা। সার্ভিস চার্জ ধরা হয়েছে আরো ৪৫ হাজার ৪শ টাকা। মোট বিল ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৭শ ৫৯ টাকা। রোগীর স্বজন ওয়াহিদুল হক জানান, হাসপাতাল যে বিলটি করেছে তা দেখে আমরা হতবাক হয়ে গেছি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি কর্তৃপক্ষ।
আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালের পরিচালক ডা. এহতেশামুল হক জানান, করোনার কারণে চিকিৎসকদের উচ্চ বেতন ও স্বাস্থ্যকর্মী নিরাপত্তা সামগ্রীর খরচ মেটাতেই এসেছে এই বাড়তি বিল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখার পরিচালক আমিনুল হাসান জানান, বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। তবে কোনো অভিযোগ পেলে তা তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বেসরকারি হাসপাতালের অতিরিক্ত বিল আদায়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরাও।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ




























