তিন জনের করোনা চিকিৎসায় প্রায় ৮’লাখ টাকা বিল ধরিয়ে দিয়েছে রাজধানীর বনশ্রীর ইয়ামাগাতা-ঢাকা ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল। চিকিৎসক ও ফিজিসিয়ান ফি এবং অক্সিজেন ও খাবার সরবরাহের নামে দেয়া হয়েছে অস্বাভাবিক বিল। এমনকি নার্সদের পিপিই’র জন্যও ধরিয়ে দেয়া হয় ৩০ হাজার টাকার বিল।
গত ৫’ই জুন করোনা উপসর্গ নিয়ে মা-বাবাসহ ইয়ামাগাতা হাসপাতালে ভর্তি হন এক চিকিৎসক। ৪ দিন আইসিইউতে থাকার পর তার বাবা মারা যান। ১৫’তারিখে ওই চিকিৎসক সুস্থ্য হয়ে ছাড়পত্র নেন। আর তার মা হাসপাতাল ছেড়েছেন ১৭ জুন। এই ১২ দিনে তাদের বিল দেয়া হয় ৭ লাখ ৭৭ হাজার টাকা।

এতে উল্লেখ করা হয়, তাদের সেবা দেয়া নার্সদের পিপিই বাবদ বিল হয়েছে ৩০ হাজার টাকা। যদিও নার্সরা জানান, পুরো মাসের জন্য তারা মাত্র ২টি পিপিই পেয়েছেন। তাও খুবই কম দামের ও নিম্নমানের।
প্রতি ঘণ্টা অক্সিজেনের সরবরাহের জন্য ধরা হয় ৩০০ টাকা করে। এতে ৫৩৪ ঘণ্টায় বিল ধরা হয় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। আর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও ফিজিসিয়ান ফি বাবদ নেয়া হয়েছে প্রায় ১ লাখ টাকা। এছাড়া, ল্যাব টেস্টের নামে ১ লাখ ১৫ হাজার এবং মোট বিলের উপর সার্ভিস চার্জ নেয়া হয়েছে আরো প্রায় ৭১ হাজার টাকা।
হাসপাতালের রেজিস্ট্রার ডা. আতিকুজ্জামান দাবি করেন, করোনার এই সময়ে চিকিৎসক থেকে শুরু করে নার্সদের বেতন বৃদ্ধি, বাড়তি দামে অক্সিজেন সিলিন্ডার কেনাসহ অন্যান্য খরচ বাড়ায় এমন বিল হয়েছে। পুরো বিষয়টি গণমাধ্যমে আসলে মোট ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা থেকে বিলের মধ্যে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা কম রাখা হয়।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ




























