করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিরা। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারি ও বেসরকারি খাতকে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার পরামর্শ তাদের।

লকডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় গঠিত প্ল্যাটফর্ম-রিসারজেন্ট বাংলাদেশের অনলাইন সংলাপে উঠে আসে এসব বিষয়। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে দুই মাসের বেশি সময় বন্ধ রাখার পর সীমিত পরিসরে ব্যবসা-বাণিজ্য চালুর অনুমতি দেয়া হয়েছে। অর্থনীতি ও মানুষের জীবিকার কথা চিন্তা করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

ব্যবসা-বাণিজ্য চালু হলেও দেশে করোনা সংক্রমণের ধারা ঊর্ধ্বমুখী। তাই অর্থনীতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরানোর চ্যালেঞ্জ বাড়ছে। এই অবস্থায় লকডাউন পরবর্তী সময়ের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় করণীয় নিয়ে অনলাইন সংলাপের আয়োজন করে রিসারজেন্ট বাংলাদেশ।

স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে গুরুত্ব দিয়েই জীবিকা ও অর্থনীতি সচল করার তাগিদের বিষয়টি উঠে আসে সংলাপে। লকডাউন পরবর্তী স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সঠিক পরিকল্পনার ওপর জোর দেন আলোচকরা। অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি হবে। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি খাতের সমন্বয়ের ওপর জোর দেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁই্য়া।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, করোনার ধকলে কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটতে পারে অনেক প্রতিষ্ঠান। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে বেসরকারি খাতকে সহায়তা দেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে