গণপরিবহন বন্ধ থাকায় প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, অটোরিকশা, মোটরসাইকেলে সুরক্ষা ছাড়াই ফিরছেন নগরবাসী। এই চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ। কর্মক্ষেত্রে খুলছে রবিবার থেকে। ঈদ শেষ হয়েছে, সে কারণেই রাজধানীর প্রবেশমুখে এখন জনস্রোত। যাত্রাপথে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি বা সামাজিক দূরত্ব।
ঈদ শেষ, বাড়ছে না ছুটি। খুলছে কলকারখানা, অফিস আদালত। তাই ঢাকায় ফিরতে শিমুলিয়া ফেরিঘাটে জনস্রোত। করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়েই ফিরছে নগরবাসী। শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি রুট দিয়ে ঢাকা ফেরেন দক্ষিণের ২১ জেলার মানুষ। এখানে ১৭টি ফেরির মধ্যে ১০ দিয়ে চলছে পারাপার। একই অবস্থা পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাটে। বৃহস্পতিবার দিনের শুরুতে চাপ না থাকলেও দুপুরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের ঢল নামে এখানে। বিআইডব্লিউটিসি জানিয়ে, গত ২৪ ঘণ্টায় এ রুটে পারাপার হয়েছে আড়াই হাজারের বেশি যানবাহন।
ফেরিঘাটের মতো চাপ ছিল মহাসড়কেও। ঢাকা-ময়মনসিংহ, ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মহাসড়কে প্রাইভেটকার ছাড়াও পিকআপ-সিএনজি-অটোরিকশায় কর্মস্থলে ফিরছেন শ্রমজীবীরা। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় যানবাহন সংকটে ঘন্টার পর ঘন্টা মহাসড়কে অপেক্ষা করতে হয়েছে অনেকে। আছে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ।

তবে পুলিশ বলছে, স্বাস্থবিধি মেনে ঢাকা ফেরা নিশ্চিত করতে কাজ করছে তারা। চাপ বেশি হওয়ায় পেতে হচ্ছে বেগ। ৩০’শে মের পর ছুটি না বাড়ায় রাজধানীর প্রবেশপথগুলোতে মানুষের ঢল। গন্তব্যে পৌঁছতে ৪ থেকে ৫ বার যানবাহন পরিবর্তন করেছেন কর্মজীবীরা।
স্বাস্থ্যবিধি না মেনে এবাবে রাজধানীতে ফেরা অব্যাহত থাকলে, করোনা সংক্রমন আরো বাড়বে বলেও আশঙ্কা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























