তলানিতে এসে ঠেকেছে দেশের এপ্রিল মাসের রপ্তানি আয়। রপ্তানি হয়েছে ৫২ কোটি ডলারের পণ্য যা গত বছরের একই সময়ের তুলনার চেয়ে ৮২ শতাংশ কম। তাই ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্ব বাজারে চাহিদা কম থাকায় কমেছে রপ্তানি। আর বিশ্লেষকরা বলছেন, রপ্তানি স্বাভাবিক হতে আরো কয়েক মাস সময় লাগবে।
দেশে নভেল করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর মার্চের শেষ দিকে বন্ধ হয়ে যায় কল-কারখানা। মার্চে রপ্তানি হয় ২৭৩ কোটি ডলারের পণ্য। তবে এপ্রিলে ব্যাপকভাবে কমে যায় রপ্তানি আয়। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য মতে, এপ্রিলে রপ্তানি হয়েছে ৫২ কোটি ডলারের পণ্য। যেখানে গত বছরের একই সময় রপ্তানি হয়েছিল ৩০৩ কোটি ডলারের পণ্য।
করোনা পরিস্থিতিতে দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য পোশাকসহ কমেছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য, প্লাস্টিক পণ্য ও প্রকৌশল পণ্যের রপ্তানি। জুলাই থেকে এপ্রিল দশ মাসে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ২ হাজার ৪৪৭ কোটি ডলারের। যা গেল বছরের তুলনায় ১৪ শতাংশ কম।
তবে যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য সচল হচ্ছে। এরপরও দেশগুলোতে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকেরা। আর তাই বেগ পেতে হচ্ছে কাঁচামাল আমদানিতেও। এদিকে নভেল করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতেও বেড়েছে ওষুধ এবং পাট ও জাত পণ্যের রপ্তানি।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














