আসছে অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। যা এই অর্থবছরের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১০ শতাংশ বেশি। তাই অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা, এমনিতেই লক্ষ্য পূরণ করতে পারে না রাজস্ব বিভাগ তারওপর করোনার প্রভাবে ঘাটতি আরো বাড়তে পারে। নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে প্রায় দেড় মাস অঘোষিত লকডাউনে দেশ। এতে বন্ধ বেশিরভাগ কারাখানা আর তালা ঝুলছে ব্যবসা ও সেবা প্রতিষ্ঠানের।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের হিসাবে, এই অর্থবছরের মার্চ পর্যন্ত রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ছিল ২ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা। আদায় হয়েছে এক লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা। আর বিশ্লেষকদের শঙ্কা, জুনে গিয়ে রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি এক লাখ কোটি টাকা ছাড়াবে। এ পরিস্থিতির মধ্যেই ১১ জুন সংসদে উঠছে ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট। এতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য থাকছে ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। এদিকে অর্থমন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী অর্থবছরে ভ্যাট থেকে এক লাখ ২৮ হাজার কোটি, আয়কর থেকে এক লাখ ৫ হাজার ও আমদানি রপ্তানি থেকে ৯৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য ধরা হচ্ছে।

করোনার আঘাত থেকে অর্থনীতির ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকারি ব্যয় বাড়ানো জরুরি বলছেন বিশ্লেষকেরা। আর এজন্য বাড়তি অর্থ জোগাড়ে বৈদেশিক ঋণ বাড়ানো, কালো টাকা সাদা করার সুযোগ ও সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে শর্ত কমানোর পরামর্শ দিয়েছেন তারা। করোনার কারণে কর কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন আনার দরকার নেই বলেও মনে করেন বিশ্লেষকেরা।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে