গত পাঁচ বছরে বেশ কয়েকদফায় ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথের দাম কমালেও সুফল পাচ্ছে না গ্রাহক। ভ্যাটসহ মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের কারণেই দাম কমানো যাচ্ছে না দাবি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর। এদিকে ধীরগতি সংযোগ বিচ্ছিন্নসহ গ্রাহকদের নানা অভিযোগ প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে।

সামস-ই-তানভির, থাকেন ধানমণ্ডিতে, পড়াশোনার পাশাপাশি, আউটসোর্সিংয়ের কাজে ব্যবহার করছেন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট। চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য, পড়াশোনাসহ নানা প্রয়োজনে প্রতিদিনই বাড়ছে ব্যবহারীর সংখ্যা। তবে বাড়তি দাম ও কম গতির অভিযোগ ব্যবহারীদের।
বিটিআরসির হিসাবে, পাঁচ বছর আগে এক এমবিপিএস ব্যান্ডউইথের দাম ছিলো ১২ হাজার টাকা। এখন তা নেমে এসেছে ৬২৫ টাকায়। তারপরেও এর সুবিধা পাচ্ছে না গ্রাহক। সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের দাবি, ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে ও এনটিটিএনের খরচ বেধে না দিলে কমবে না দাম।

রাজধানীতে এক এমবিপিএস ব্যান্ডউইথের জন্য এক হাজার টাকা দিতে হলেও ঢাকার বাইরের গ্রাহককে দিতে হচ্ছে চার হাজার টাকা। ব্যবসায়ীদের দাবি, সঞ্চলন খরচের কারণেই বাড়তি এই টাকা নিচ্ছেন তারা। এদিকে দাম কমাতে কারিগরি কমিটি কাজ করছে বলে জানাচ্ছেন টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী, এই মুহূর্তে দিনে ব্যান্ডউইথের চাহিদা ৩৬০ জিবিপিএস। এর ২৩০ জিবিপিএস ব্যবহার করছেন ৬০ লাখ ব্রডব্যান্ড গ্রাহক।

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে