নীলফামারী প্রতিনিধিঃ নীলফামারীর সৈয়দপুরে ১৩ টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ওই জরিমানা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কর্মকর্তা ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালার মাধ্যমে জরিমানা করেন।
করোনা ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে স্বাস্থ্যবিভাগের নির্দেশনায় সরকারের আদেশে সারাদেশের ন্যায় সৈয়দপুরেও লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছে।

এরই মধ্যে নীলফামারী জেলায় ৯ জন করোনা রোগী সমাক্ত করা হয়েছে। প্রশাসন রাত দিন কাজ করছে মানুষকে নিরাপদে রাখতে সামাজিক দুরুত্ব বজায়ে। এত সত্বেও লোকজন অকারনে যেখানে সেখানে জটলা পাকাচ্ছে, ভির জমাচ্ছে। আর এরই সুযোগে কিছু ব্যবসায়ী অনুনমোদিত দোকানের অর্ধেক শার্টার খোলা রেখে বেচা-বিক্রি করছে। তাই এসব রোধে প্রশাসনও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। এরই অংশ হিসাবে গতকাল ২০ এপ্রিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসিম আহমেদের নেতৃত্বে সকাল ৯ টা হতে শহরের শহীদ ডা: জিকরুল হক রোড, শহীদ শামসুল হক রোড, বঙ্গবন্ধু সড়ক,সৈয়দপুর প্লাজাসহ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালানা করে দোকান-পাট বন্ধ করা হয় এবং উল্লেখিত টাকা অর্থদন্ড করা হয়। এর মধ্যে বারাকাত ক্লোথ স্টোরের মালিককে ৩০ হাজার, ওড়না ঘরের মালিককে ২০ হাজার, কাশফি বেনারসির মালিককে ২০ হাজার, জাফরুল্লাহ ক্লোথ স্টোরের মালিককে ২০ হাজার টাকা উল্লেখযোগ্য। অভিযান চলাকালে ৭ জনকে আটক করা হয়। পরে সতর্ক করে মুচলেকায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

অভিযান পরিচালনাকালে অন্যন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কর্মমর্তা ( ভুমি) পরিমল কুমার সরকার, থানার অফিসার ইন-চার্জ আবুল হাসনাত খান,ট্রাফিক সার্জেন্ট রাশেদুজ্জামানসহ অন্যান্য কর্মকর্তা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসিম আহমেদ সকলকে স্বাস্থ্যবিভাগের নির্দেশনা মেনে সামাজিক দুরুত্ব বজায় রাখতে অনুরোধ জানান। তা নাহলে প্রশাসন কঠোর হতে বাধ্য হবে।

রেজা মাহমুদ
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে