সংগঠনের অনুরোধ রাখেননি খোদ বিজিএমইএ-এর নেতারাই। কারখানা খোলা রেখে শত শত শ্রমিককে ঠেলে দিচ্ছেন নভেল করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) সংক্রমণের ঝুঁকিতে। গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝুঁকি নিয়ে আজ সোমবারও কাজে যোগ দেন হাজারো পোশাক শ্রমিক। আর অনেক শ্রমিক এখনো মার্চের বেতন পাননি আবার অনেকে পুরো বেতন না পাওয়ারও অভিযোগ করছেন।
ঠেলাঠেলি করে কারখানায় ঢুকছেন দুলাল ব্রাদার্স লিমিটেড কারখানার পোশাক শ্রমিকরা। গাজীপুরের কাশিমপুরের এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের তৈরি পোশাক খাতের সবচেয়ে বড় গ্রুপগুলোর একটি। এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ রহিম ফিরোজ বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি। কারখানায় ঢোকার পথে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা থাকলেও মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব।গেল রোববার ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সাফ জানিয়েছেন, এ ভাবে কারখানা খোলা রেখে নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়েছেন পোশাক শিল্প মালিকরা। তবে এসব বিষয়ে কথা বলতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কল ধরেননি পোশাক কারখানার মালিকরা।
ওদিকে গাজীপুরের দিগন্ত সোয়েটার্সের শ্রমিকদের অভিযোগ, তাদের মার্চ মাসের পুরো বেতন এখনো দেননি কারখানা মালিক। কিন্তু এই কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিজিএমইএ’র পরিচালক কামাল উদ্দিন পুরো বেতন না দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।তবে সাভার এবং নারায়নগঞ্জসহ বেশ কিছু এলাকার পোশাক শ্রমিকরা এখনো বেতন না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন।এদিকে, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেপজা) নির্দেশে ৮ ইপিজেডে বন্ধ করা হয়েছে তৈরি পোশাক কারখানা। তবে জরুরি ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রি বা পিপিই উৎপাদনের কাজে নিয়োজিত কারখানাগুলো চালু আছে।
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














