ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতাঃ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিনই কাঁদতে হচ্ছে কাউকে না কাউকে। যাত্রাপথে প্রায় সবাইকে তাড়িয়ে বেড়ায় এই দুঃসহ স্মৃতি। সড়ক দুর্ঘটনার মৃত্যুর মিছিলে মিছিল যেন থামার নয়! দিন যতই যাচ্ছে ততই উদ্বেগ ও যাতনা বাড়ছে। সড়ক দুর্ঘটনা যেন নিত্যদিনের সঙ্গি হয়ে যাচ্ছে । একেকটি আলোচিত ঘটনার পর অন্য একটি বড় দুর্ঘটনা ঢেকে দেয় আগের আলোচনা কে। কোনো কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না এই দুর্ঘটনা, রাস্তায় বেরিয়ে নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারব কিনা তার নিশ্চয়তা মিলছে না কোথাও।

একটি দুর্ঘটনা একটি পরিবারের সারা জীবনের শুধু কান্না নয়, কোনো কোনো সময় সারা জীবনের জন্য ওই পরিবারের ওপর চেপে বসে পাহাড়সম কষ্টের পাথর। পরিবারে একমাত্র উপার্জনশীল ব্যক্তিটি যখন দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মারা যান, তখন ওই পরিবারটির বেঁচে থাকাই কষ্টকর হয়ে পড়ে। তাদের সকল আশা-স্বপ্ন ও সুন্দর ভবিষ্যৎ হয়ে পড়ে অনিশ্চিত। নিহত পরিবারে চলে শুধু  কান্না আর কান্না! কেউ জানেন না এ কান্নার আর কষ্টের শেষ কোথায়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দেশের পূর্বাঞ্চলে সিলেটের সাথে সড়ক পথে যোগাযোগে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক এখন মৃত্যু কূপে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৩৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ঘটছে দুর্ঘটনা। আর এসব প্রতিটি দূর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছে কোন  না কোন  মানুষ । আর সেই সাথে বাড়ছে পুঙ্গত্বের সংখ্যা।

দুর্ঘটনার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য আশে পাশে নেই কোন হাসপাতাল। চিকিৎসার জন্য যেতে হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল কিংবা রাজধানী ঢাকায়। মহাসড়কের  পাশে নেই কোন ট্রমা সেন্টার। এলাকাবাসীর দাবী ওঠেছে এখানে একটি ট্রমা সেন্টার নির্মাণ করার। আর তাদের এ  দাবি অনেক আগে থেকে। আর এ  দাবি দ্রুত একটি ট্রমা সেন্টার নির্মাণ করার। ট্রমা সেন্টার নির্মাণ হলে হয়ত এই সড়কে কমে যেতে পারে দূর্ঘটনা।

জহির  সিকদার
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে