কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃ সাংস্কৃতিক রাজধানী খ্যাত কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত একটি গ্রাম আলাউদ্দিন নগর (পূর্বে চকরঘুয়া)। গ্রামটির দূরত্ব কুষ্টিয়া শহর থেকে ১০ কিলোমিটার উত্তর পূর্বে গড়াই নদীর পূবের্র একটি সমতল জনপদ। এই জনপদে আকাশের মত বিশাল হৃদয়ের অধিকারী প্রতিথযশা সমাজসেবক আলাউদ্দিন আহমেদ সম্ভ্রান্ত মুসলিম ও বংশীয় পরিবারে ১৯৪৪ সালের ৩১শে জুলাই তারিখে জন্মগ্রহন করেন।
১৯৬৬ সালে কুষ্টিয়া কলেজ থেকে কমার্স গ্রাজুয়েশন শেষ করে ১৯৬৭ সালে ইনস্টিটিউট অব চাটার্ড একাউনন্টেন্সী ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস, লন্ডনে চাটার্ড একাউনন্টেন্সী কোর্সে ভর্তির অনুমতি পেয়েও তা পড়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে দেশেই সাহা মজুমদার এন্ড কোম্পানীর অধীনে চাটার্ড একাউনটেন্সী শেষ করেন। পরবর্তীতে দেশেই আইন ব্যবসা করবার জন্য ১৯৭০ সালে তিনি কুষ্টিয়াতে পূর্ণাঙ্গ আয়কর উপদেষ্টা হিসাবে নিজেকে আইন ব্যবসায় সাথে নিয়োজিত করেন।
শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। দেশের ক্রান্তিলগ্নে বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে ‘৭১’ সালে দেশকে শত্র“ মুক্ত করতে দীর্ঘ ৯টি মাস যুদ্ধ করেছন। বাংলার ইতিহাসের পলিমাটিতে আলাউদ্দিন আহমেদের জন্ম। ধ্বংস, বিভীষিকা, বিপর্যয়ের মধ্যদিয়ে সেই পলিমাটিকে রক্ষা করতে বাঙালির চেতনায় শক্ত ও জমাটবদ্ধ একটি ভূখন্ড রক্ষা করতে তিনি পিছুপা হননি, ঝাপিয়ে পড়েছিলেন যুদ্ধের ময়দানে, ছিনিয়ে এনেছিল লাল-সবুজ একটি মানচিত্র।
আলাউদ্দিন আহমেদ ফিরে আসেন তাঁর কর্মময় জীবনের নতুন অধ্যায়ে। যুদ্ধে বিধ্বস্থ ভঙ্গুরদশা কুষ্টিয়া শহরে ১৯৭২ থেকে ১৯৭৯ পর্যন্ত আইন ব্যবসা চালিয়ে গ্যাছেন। পরবর্তীতে আইন ব্যবসাকে আরও প্রসারিত করতে ঢাকাতে স্থানান্তর করেন। আইন ব্যবসায়ের অবসরে বর্তমানে সফল ব্যবসায়ী হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে ঔষধ কোম্পানীর কাঁচামাল বিদেশ থেকে আমদানী করতে প্রথমে প্রতিষ্টিত করেন আলো মাল্টিপারপাস কোম্পানী লিঃ, ১৯৯৫ সালে ঢাকা গাজীপুরে প্রতিষ্ঠিত করেন হেল্থকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিঃসহ একাধিক শিল্প প্রতিষ্ঠান।
শিক্ষা ছাড়া দেশ ও জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়, তাই নিজ জন্মভুমির মাটিতে বসবাসকৃত নিরক্ষর গ্রামকে শিক্ষার আলো জ্বালাতে যৌবনে পদার্পনের সময় থেকেই স্বপ্ন দেখেছিল আজকের দেবতুল্য আলাউদ্দিন আহমেদ। এলাকার সন্তানদের প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষিত করনের লক্ষে নিজ অর্থায়নে ১৯৭২ সাল থেকে অদ্যবধি তাঁর নিজ জন্মমাটি থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তরে নিজ জমি দান ও নিজ অর্থায়নে প্রায় ১০০টির অধিক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কখনো ভবন নির্মান, কখনো বৃহৎ দান বা বড় কোন উন্নয়নমূলক কাজে নিঃস্বার্থ দান করে যাচ্ছেন। এ পর্যন্ত প্রায় ২০০ শতাধিক প্রতিষ্ঠানে বৃহত অনুদান প্রদান করে তিনি ঐ সকল প্রতিষ্ঠানে আঁজীবন দাতা সদস্য হিসাবে আছেন।
আলাউদ্দিন আহমেদ এখন একটি নাম নয়, তিনি নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান। আলাউদ্দিন আহমেদ এখন আলাউদ্দিন নগরের সন্তান নয়, তিনি সমগ্র বাংলাদেশের এক গৌরবান্বিত সন্তান। এক সময়ের অন্ধকারাচ্ছন্ন গ্রামটিতে সাধারন মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিজ্ঞান ভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রযুক্তিগত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করে যে অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধন করেছেন তা তারই নিঃস্বার্থ অবদান। তাঁর এ যুগান্তকারী সংস্কারমুলক কর্মকান্ডেই আজ তিনি এই গ্রামের রূপকার। ১৯৯৬ সালের ২৭ জানুয়ারী, চকরঘুয়া গ্রামের পক্ষ থেকে কুষ্টিয়ার এক কৃতি সন্তান বিশিষ্ট সমাজসেবক ও প্রকৌশলী মরহুম কামরুল ইসলাম সিদ্দিকীকে গন সম্মর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে এলাকাবাসীর অনুরোধে আলাউদ্দিন আহমেদের নামানুসারে “আলাউদ্দিন নগর” নামকরনের স্বীকৃতি পেয়েছিল। সেই থেকে তিনি আলাউদ্দিন নগরের রূপকার হয়ে প্রতিষ্ঠিত করেন আলাউদ্দিন নগর শিক্ষাপলী। স¤প্রতি আলাউদ্দিন নগর নিজ বাড়ীর সামনে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা, বিনোদন ও দর্শনীয় ‘আলাউদ্দিন আহমেদ শিক্ষাপলী পার্ক’ প্রতিষ্ঠিত করেন যা সবাইকে মুগ্ধ করেছে।
তিনি যৌবনকাল থেকে সমাজসেবক হিসেবে নিজেকে আর্বিভূত করেন। তাঁর নিজ জন্মস্থান আলাউদ্দিন নগরের হতদরিদ্র পলীবাসীর দুঃখ, দুর্দশা লাঘব ও মানব মুক্তির জন্য নানান কর্মক্ষেত্র স্থাপনের উদ্দ্যেগ নেন। সত্যিকার অর্থে তিনি কিশোরবেলা থেকেই বুঝতে পেরেছিলেন, দেখতে পেয়েছিলেন এখানকার মানুষ অবলা অসহায় ও অশিক্ষিত। তাইতো তিনি অন্ধকারাছন্ন নিজ গ্রামে জ্ঞানের আলো জ্বালাতে ও কৃষকের মুখে হাসি ফোঁটাতে প্রথম সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এই এলাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরী ও কৃষি উন্নয়নের বিল্পব ঘটাতে হবে।
তিনি শুধু সমাজসেবক ও সমাজ সংস্কারকই নন, তিনি বাংলাদেশের শিল্পায়ন খাতের একজন পেশাদার পরিশ্রমী শিল্পপতি, অবসরে যাওয়া একজন সফল আয়কর উপদেষ্টা, বর্তমানে একাধিক শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিক। একদিকে সমাজসেবক হিসাবে যেমন তাঁর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে, ঠিক তেমনি দেশের ব্যবসা-বানিজ্যের উন্নয়নের কর্ণধার হিসাবে তাঁর জনপ্রিয়তাও আকাশছোয়া। ইতিমধ্যে তিনি সমাজসেবায় অবদানের জন্য দেশী-বিদেশী একাধিক এ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন, ঠিক তেমনি ব্যবসায়িক সফলতার জন্য দেশ-বিদেশ থেকেও একাধিক এ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছেন। এভাবে তাঁর কর্মময় জীবনের প্রতিটা পর্যায়ে দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সম্মাননা অর্জন করে চলেছেন।
এই সমাজকল্যাণ সারথীর কর্মময় জীবনী ও তাঁর বিভিন্ন সমাজকর্মের সফলতা লিখে বা বলে শেষ করা যাবে না। ইতিমধ্যেই এ জেলার মাটি ও মানুষের অতি আপনজন আমাদের অহংকার শিক্ষাপলীর জনক উক্ত শিক্ষাপলীর মধ্যে একই সাথে ১৬টি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। বিশিষ্ঠ সমাজসেবক দানবীর আলাউদ্দিন আহমেদের সার্বিক কর্মকান্ড ও সফলতা নিয়ে দেশের খ্যাতিমান লেখক, কবি, সাহিত্যিক ও সাংবাদিক তাঁদের কাব্যগ্রন্থ, বই, পত্র-পত্রিকায় লিখেছে অনেক। ডক্টর খোন্দকার রিয়াজুল হক কর্তৃক লিখিত “সমাজসেবক আলাউদ্দিন আহমেদের জীবন ও সমাজকর্ম” বইটি ইতিমধ্যে ভারত বর্ষের ৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠ্য পুস্তক হিসাবে পঠিত হচ্ছে। ইতিমধ্যে তিনি সামাজিক কর্মকান্ড করে দানবীর উপাধীতে ভূষিত হয়েছেন।
এই কর্মবীর ব্যক্তিটির ভবিষ্যৎ চিন্তা ও পরিকল্পনা ছিল, কুষ্টিয়া কুমারখালীর আলাউদ্দিন নগর একটি আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন তৈরী করে ফেলেছেন, বর্তমানে এই অঁজপাড়া গাঁওটি এখন শহরে পরিনত হয়েছে। বর্তমান সময়ের আর্থ-সামাজিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক, শিক্ষা প্রভৃৃতি সার্বিক কল্যানের ব্র্রতে আলাউদ্দিন আহমেদ নিজ মাতৃভূমিতে প্রতিষ্ঠিত করেন আলাউদ্দিন আহমেদ ফাউন্ডেশন আর এই ফাউন্ডেশনের অধীনে চলছে প্রায় শতাধিক প্রতিষ্ঠান।
সালাউদ্দিন আহমেদ তাঁর নিজ এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ যাবৎ শিক্ষক ও ছাত্র/ছাত্রীদের নিজ বাড়ীতে ও ছাত্রাবাস করে দিয়ে বিনা বেতনে পাঠ দান এবং শিক্ষকদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করে যাচ্ছেন, সেইসাথে শিক্ষকদের বেতনও নিজ তহবিল থেকে দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আরো একধাপ এগিয়ে দেবার ব্যবস্থা করেছেন।
পৃথিবীতে কিছু মানুষ জন্মান বিপ্লবের মহান ব্রত নিয়ে। মানুষের জন্য, দেশ ও সমাজের জন্য তাঁরা ফেরি করেন স্বপ্নের পসরা। তারা জাতিকে রক্ষা করেন, এগিয়ে নেন, জাতিকে সম্ভাবনার স্বপ্ন দেখান। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ শুধু স্বপ্ন দেখান না, স্বপ্নের সফল বাস্তবায়নও করেন। আলাউদ্দিন আহমেদ স্বপ্নের দেশ গড়ার কর্মবীর একজন অসাধারন মানুষ। আলোকবর্তিকা হাতে দেশ মাতৃকার জন্য একের পর এক কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। যেখানেই স্পর্শ করেছেন তিনি, সেখানেই পেয়েছেন অসামান্য সাফল্য। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরী করাই তাঁর এক মহতকর্ম। তাঁর অঁজ পাড়া গাঁয়ের প্রতিষ্ঠানের আলো ছড়িয়ে পড়েছে এখন দেশের সবখানে, ধীরে ধীরে সেই আলোয় আলোকিত হয়ে উঠছে তাঁর স্বপ্নের বাংলাদেশ। আলাউদ্দিন আহমেদ এমন এক মানুষ, যাঁর মধ্যে জ্ঞানের ব্যাপ্তী, মূল্যেবোধের বিকাশ, জীবনের উৎকর্ষ, আত্মমর্যাদার মহিমা, সাংগঠনিক দক্ষতা- মহৎ সব গুণ ছড়িয়ে তাঁর পায়ের নখ থেকে মাথার চুলে। অন্তরের আলোয় তিনি যেমন আলোকিত, তেমনই তিনি আলোকিত করেছেন দেশের মানুষকে।
তিনি শুধু আমার নয়, তিনি হাজারো জনের মনের মানুষ, প্রাণের মানুষ “একজন প্রান খোলা সাদা মনের মানুষ”। তাঁর ছোট্ট সুন্দর দেহটির ভিতরে লুকান আছে একটা বিশাল হৃদয়, আর স্বচ্ছ-পরিচ্ছন্ন মন। এই মনটিকে সারাটি জীবন ব্যবহার করে যাচ্ছেন মানুষের কল্যানে, দেশের কল্যানে। তাঁর চিন্তা-চেতনায় আছে কিভাবে মানুষকে শিক্ষা-দিক্ষায় এগিয়ে নেয়া যায়। সেই ধারাবাহিকতায় তিনি গড়তে চায় স্বপ্নের দেশ বাংলাদেশ।
আলাউদ্দিন নগরের তিনি একটি আলোর প্রদীপ, আজ সেখানে বিকিরন করছে অজস্র্র আলোর প্রদীপ। বাল্যকালের আলো নামটির যতার্থই মুল্যায়িত হয়েছে। ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো জ্বালাতে গড়ে তুলেছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রাকৃতিক দূর্যোগের সময় অসহায় মানুষের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে সাহার্য্যরে হাত বাড়িয়ে দেওয়া, শীতার্ত মানুষের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরন করা, কৃষকদের মাঝে সেচ প্রকল্প চালু করা, বেকারদের জন্য প্রতিষ্ঠিত করে দেওয়া সকল প্রকার ব্যবসায়িক মার্কেট, অসুস্থ ব্যক্তিদের সুচিকিৎসার জন্য প্রতিষ্ঠিত করা মাতৃসদন কেন্দ্র ও হাসপাতাল, খেলার মাঠসহ একাধিক জনকল্যাণমুলক প্রতিষ্ঠান তৈরী করা যাঁর একটিও অনুপযোগী নয়। সবকিছু বিবেচনা করলে তিনি নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান।
আলাউদ্দিন আহমেদের জীবনদর্শনই হচ্ছে মানবপ্রীতি, তিনি মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করে দিয়ে হয়ে উঠেছে স্বপ্নের চেয়েও অনেক বড় একজন সমাজসেবক। তাঁর কর্মের পরিধি ব্যাপক, জ্ঞান ভান্ডার অফুরন্ত, এক কথায় সর্বক্ষেত্রে তিনি সফল ও সার্থক একজন কর্মবীর মানুষ। সত্য, ভালো ও সুন্দর এই তিনটির উপর নৈতিকতা দাঁড়িয়ে থাকে। সদা সত্য বলা, ভালো কাজের সাথে থাকা এবং সুন্দরের প্রতি আগ্রহ বা সমর্থন থাকা এই সব গুণই তাঁর মধ্যে বিরাজমান। তিনি একজন আপাদ মস্তক ইসলামী ভাবধারার ধর্মভীরু মানুষ। আলাউদ্দিন আহমেদ স্বচ্ছ চিন্তা-চেতনার মানুষ, পরিবর্তিত সমাজ ব্যবস্থায় তিনি মানবীয় গুণ সম্পন্ন একটি উজ্জ্বল আদর্শের প্রতীক। বলতে গেলে তিনি আমাদের দূষিত সমাজে একজন পরিশুদ্ধতায় খাঁটি অন্ত:প্রাণ সৎ নির্লোভ ব্যক্তিত্ব। ইসলামের দিক নির্দেশনাকে আদর্শ জেনে সমাজনীতি ও অর্থনীতির মাধ্যমে দেশ-জাতি-মাটি-মানুষের কল্যাণে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
আমি দানবীর হাজী মুহম্মদ মহসীনকে দেখি নাই, দেখেছি বর্তমান সময়ের হাজী মুহম্মদ মহসিনকে, তিনি হল আজকের বর্তমান সময়ের সমাজসেবক দানবীর আলাউদ্দিন আহমেদ। সমাজকর্মের সার্বিক বিষয় নিয়ে বাংলাদেশের সমাজকল্যান সেক্টরে তাঁর নাম স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ করে রাখা অবশ্যই প্রয়োজন। আমি আগেই বলেছি আলাউদ্দিন আহমেদের জীবনদর্শনই হচ্ছে মানবপ্রীতি, মানুষের কল্যানে নিবেদিত এক প্রাণ। এক কথায় বলা যায়, তিনি একজন অসা¤প্রদায়িক দার্শনীক সমাজসেবক ও আলোকিত মানুষ।সূদীর্ঘ সময়কাল ধরে তিনি দেশের উন্নয়ন ও সাধারন মানুষের কল্যানে নিজেকে বিলিয়ে রেখেছেন।
কে এম শাহীন রেজা
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ




















