নভেল করোনাভাইরাস শনাক্তে দেশে মোট ৭টি থার্মাল স্ক্যানার স্থাপন করা হলেও এর ৬টিই নষ্ট। সচল স্ক্যানারটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রাখা হযেছে। বাকি বন্দরগুলোতে হ্যান্ড স্ক্যানার দিয়ে চলছে স্বাস্থ্য পরীক্ষা। রাজধানীর মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আজ এক সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য জানিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট- আইইডিসিআর।

নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে তিন স্তরের নিরাপত্তা পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এজন্য চলছে থার্মাল স্ক্যানার কেনার প্রক্রিয়া। এরই মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে ১০টি স্ক্যানার চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। এছাড়া আরো কিছু সংস্থার কাছেও আবেদন করেছে সরকার। তবে, নতুন স্ক্যানার আনার বিষয়টি এখন প্রক্রিয়াধীন। নভেল করোনাভাইরাসের ঝুঁকি এড়াতে আক্রান্ত দেশে ভ্রমণে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
এ পর্যন্ত ৮৮টি নমুনা পরীক্ষায় দেশে এখনো কেউ করোনায় আক্রান্ত শনাক্ত হননি। আইইডিসিআর পরিচালক ডা. ফ্লোরা বলেন, “এখন পর্যন্ত আমাদের এখানে কোনো করোনাভাইরাস সংক্রমণ হয়নি। আমরা জানি, কেউ যদি আক্রান্ত হয়, তাহলে কোনো দেশ থেকেই সেটা আসবে বলে আমরা আশঙ্কা করছি।”

সবশেষ তথ্য অনুযায়ী চীনসহ ৫৪টি দেশ করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে। আক্রান্ত দেশগুলোর মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ায় এখন প্রাদুর্ভাব বেশি। চীন থেকে যে ২৩ বাংলাদেশিকে নয়াদিল্লি আনা হয়েছে তারা ভারতেই কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














