ঘুষ না দিলে রংপুর বিআরটিএ থেকে পাওয়া যায় না গাড়ির কোনো কাগজপত্র। আর রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস ও ড্রাইভিং লাইসেন্স সব কিছুতেই অতিরিক্ত খরচ করতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ চালক ও মালিকদের। তার ওপর এক-একটি নিবন্ধনের কাগজ বের করতে ঘুরতে হচ্ছে মাসের পর মাস। যদিও এসব অনিয়মের কোনোটাই হচ্ছে না বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।

তুলসি হরিজন পাঁচ মাস আগে মোটর সাইকেল নিবন্ধনের জন্য সাড়ে ১৪ হাজার টাকা জমা দেন রংপুর বিআরটিএ অফিসে। পাঁচ মাসেও কাগজ হাতে পানিন তিনি। তার অভিযোগ, বাড়তি টাকাও দাবি করছে সংশ্লিষ্টরা। আর তুলসি হরিজনের মতো রফিকুল ইসলাম জানান, টাকা ছাড়া ফাইল জমা দিতে পারছি না। বিগত চারদিন ধরে ঘুরছেন বিআরটিএ অফিসে। নতুন সড়ক আইন কার্যকরের পরপরই ভারি ও হালকা যানের কাগজপত্রের জন্য চাপ বেড়েছে রংপুর বিআরটিএ অফিসে। বাড়তি চাপের সুযোগে হয়রানির শিকার হচ্ছেন আবেদনকারীরাও। আর অতিরিক্তি টাকা ছাড়া সহসাই মিলছেনা কোনো কাগজপত্র।

বিআরটিএ সহকারী পরিচালকের দাবি, যানবাহন-মালিক ও চালকদের হয়রানী ও টাকা নেয়ার মতো কোন অভিযোগ পাননি তিনি। অভিযোগ পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে কাজের চাপ বেড়ে যাওয়ায় কিছুটা সময় লাগছে।

রংপুর বিআরটিএতে গত দুই মাসে ১৫০৬টি গাড়ি নিবন্ধন, ফিটনেস নবায়ন সাড়ে ৪শ, পারমিট ৮০টি ও ড্রাইভিং লাইসেন্স করা হয়েছে ১২৫০টির।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে