মার্চ থেকে সারা দেশে একযোগে শুরু হচ্ছে আওয়ামী লীগের সদস্য সংগ্রহ। এরই মধ্যে ৭৮টি সাংগঠনিক জেলায় পৌঁছেছে নির্দেশনা। এবার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ ছাড়াই সদস্য নিচ্ছে দলটি। তবে সামনে মুজিববর্ষ থাকায় অন্যান্যবারের মতোই ব্যাহত হতে পারে এই অভিযান। তবে এ শঙ্কা নাকচ করছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
দুই কোটি সদস্য সংগ্রহের লক্ষ্য ঠিক করে ২০১০ সালের জানুয়ারিতে অভিযানে নেমেছিল আওয়ামী লীগ। ৫০ জেলায় কাজ চললেও বছরের মাঝামাঝি এসে থেমে যায় কাজ। আর সাত বছর পর ২০১৭ সালের ২০ মে আবারও মাঠে নামে দলটি। সেবার টার্গেট ছিল দুই কোটির। শুরুর পাঁচ মাসে ৪৫ লাখ সদস্য সংগ্রহের পর গতি হারায় এ অভিযান। এবার সমস্যা তৈরি করে বন্যা, রোহিঙ্গা ও ষোড়শ সংশোধনী ইস্যু। এরপর জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে ২০১৯ সালে কয়েক দফা উদ্যোগের পরও শুরু করা যায়নি কাজ।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, সদস্য সংগ্রহ অভিযান নিয়মিত কর্মকাণ্ড। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নয়। কিছুদিন চলছিলো তবে মাঝখানে থেমে গেছে জাতীয় নির্বাচন এবং কাউন্সিলের কারণে। তিনি আরো বলেন, মুজিব বর্ষ সামনে রেখে বিশাল সদস্য সংগ্রহ করতে পারবো আর সেলক্ষে আবারো সদস্য সংগ্রহ অভিযান। আর পুরো বছরজুড়েই এমন অভিযান চলবে। আবারও সদস্য সংগ্রহ শুরু করতে ৪ ফেব্রুয়ারি ৭৮টি সাংগঠনিক জেলায় নির্দেশনা পাঠিয়েছে আওয়ামী লীগ। কেন্দ্র থেকে সদস্য সংগ্রহ বই, সংগঠনিক ঘোষণাপত্র ও গঠনতন্ত্র সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে পয়লা মার্চ থেকে।
আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, সারাদেশে সদস্য সংগ্রহ অভিযান জোরদার করতে মার্চ থেকে নতুন করে সাংগঠনিক জেলাগুলোতে সদস্য সংগ্রহ ফরম বিতরণ করবো। সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু করবো ওয়ার্ড লেভেল থেকে, তারপর ইউনিয়ন ও থানা উপজেলা তারপর জেলার সম্মেলন হবে। তিনি আরো বলেন, মুজিব বর্ষের ইস্যুটা আমাদের প্রায়োরিটি। একই সাথে সংগঠন শক্তিশালী করতে চাই, তাই মেয়াদ উত্তীর্ন যেসব জায়গা রয়েছে সেখানেও যাতে মুজিব বর্ষ পালনের পাশাপাশি সংগঠনিক কর্মকাণ্ড জোরদার করতে হবে। এর ধারাবাহিকতায় সম্মেলন ও সদস্য সংগ্রহ অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে মার্চ মাসে মুজিববর্ষ উদ্যাপনের মতো বড় কর্মসূচি থাকায় এবারও অভিযানের সাফল্য নিয়ে আছে সংশয়। তবে বিষয়টিকে উলটোভাবে দেখছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বরা।
আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, ৩ বছর পরপর তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত পুরোনোদেরও সদস্য পদ নবায়ন করার কথা। একই সঙ্গে ১৮ বছর বা এর বেশি বয়সীদেরই শুধু নতুন সদস্য করার বিধান রয়েছে।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














