আইসিজের আদেশকে বিকৃত তথ্যের ফল হিসাবে বর্ণনা করেছে মিয়ানমার। গতকাল মিয়ানমার পররাষ্ট্র দপ্তরের দেয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে মানবাধিকার সংস্থাগুলো যেসব ‘বিকৃত’ তথ্য উপস্থাপন করেছে, এই আদেশ তারই ওপর ভিত্তি করে দেয়া হয়েছে।
রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যার অভিযোগে নেদারল্যান্ডের হেগের আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত বৃহস্পতিবার মিয়ানমারের প্রতি চার দফা অন্তবর্তীকালীন নির্দেশ দিয়েছে। সেই আদেশে বলা হয়েছে,
১. গণহত্যা সনদের বিধি-২ অনুযায়ী মিয়ানমারকে তার সীমানার মধ্যে রোহিঙ্গাদের হত্যা, জখম বা মানসিকভাবে আঘাত করা, পুরো জনগোষ্ঠী বা তার অংশবিশেষকে নিশ্চিহ্ন করা এবং তাদের জন্মদান বন্ধের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ থেকে অবশ্যই নিবৃত্ত থাকতে হবে।
২.মিয়ানমারকে অবশ্যই তার সীমানার মধ্যে সেনাবাহিনী বা অন্য কোনো অনিয়মিত সশস্ত্র ইউনিট বা তাদের সমর্থনে অন্য কেউ যাতে গণহত্যা সংঘটন, গণহত্যার ষড়যন্ত্র, প্রকাশ্যে বা অপ্রকাশ্যে গণহত্যার জন্য উসকানি দেয়া, গণহত্যার চেষ্টা করা বা গণহত্যার সহযোগী হতে না পারে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।
৩. গণহত্যা সনদের বিধি-২-এর আলোকে গণহত্যার অভিযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত সব সাক্ষ্যপ্রমাণ রক্ষা এবং তার ধ্বংস সাধনের চেষ্টা প্রতিরোধ করতে হবে।
তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























