কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়ায় ব্যাপক হারে চাষ হচ্ছে বিষবৃক্ষ তামাক। এতে কমে আসছে চিনির কাঁচামাল আখের যোগান। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ধান, গম, পাট, আখ ও ভুট্টার চেয়ে পরিশ্রম বেশি হওয়া সত্ত্বেও দাম ভালো পাওয়ায় তামাক চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা।
এতে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে আখের ফলন। কুষ্টিয়ার তামাক চাষ বেশি হচ্ছে এমন এলাকা ঘুরে ও সংশ্লিষ্ট কৃষক এবং স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলে এমনটা জানা গেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, কুষ্টিয়ার বিভিন্ন উপজেলার প্রায় অধিকাংশ জমিতেই তামাকের চাষ হচ্ছে। এর মধ্যে ভেড়ামারা, দৌলতপুরে ও মিরপুর সবার চেয়ে এগিয়ে। এখানকার উৎপাদিত তামাক উৎকৃষ্ট মানের হওয়ায় বড় বড় তামাক উৎপাদনকারী, প্রক্রিয়াজাতকারী , বিড়ি, সিগারেট প্রস্তুতকারী কোম্পানিগুলো এই এলাকায় জেঁকে বসেছে।তামাক চাষ এলাকায় গেলে যেদিকেই তাকানো যায় মাঠের পর মাঠ শুধু তামাকের গাছ। তবে এর কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই খোদ কৃষি অফিসে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্যমতে, কুষ্টিয়া জেলায় সর্বমোট আবাদি জমির পরিমাণ ১ লাখ ১৫ হাজার ৯৭৮ হেক্টর।
আর তামাক কোম্পানিগুলোর তথ্যমতে, গতবছর তামাকের চাষ হয়েছিল প্রায় ৩৪ হাজার হেক্টর জমিতে। এ বছর কুষ্টিয়া অ লে জাপান টোব্যাকো ১২ হাজার হেক্টর, জামিল টোব্যাকো ৮ শ হেক্টর এবং ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানি প্রায় ১৪ হাজার হেক্টর জমিতে তামাক চাষ করেছে। এছাড়া ব্যক্তি পর্যায়ে আরও ৬ হাজার হেক্টর জমিতে তামাকের চাষ হচ্ছে, যা মোট আবাদি জমির অধের্কের বেশি। কুষ্টিয়ার মিরপুর উজজেলার তামাক চাষি কারিবুল বলেন, তামাকে খুব অল্প সময়ে বেশি টাকা পাওয়া যায়। আমি গতবছর তিন বিঘা জমিতে চামাক চাষ করে এক লাখ ৬৫ হাজার টাকা পেয়েছি। আমার খরচ হয়েছিল প্রায় ৭০ হাজার টাকার মতো।
কে এম শাহীন রেজা
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














