ভারতের সর্বোচ্চ আদালতে ঝুলে আছে ফেলানী হত্যা মামলা। এবছরও সুপ্রিম কোর্টের তালিকায় মামলাটি না থাকায় বিচার প্রক্রিয়া আরও বিলম্বিত হবে বলে মনে করছেন আইনজীবী। এতে হত্যার ৯ বছর পর ন্যায়বিচার নিয়ে শঙ্কায় স্বজনেরা।
বাংলাদেশ সরকার ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতিবাদে ফেলানী হত্যার ২ বছর পর ২০১৩ সালে বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের বিচার শুরু হয়। ঐ বছরই তাকে খালাস দেয় বিএসএফ এর বিশেষ আদালত। পরে ২০১৫ সালে পুনর্বিচারেও খালাস পায় অমিয় ঘোষ।এরপর ন্যায়বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে মামলা করা হয় ভারতের সুপ্রিম কোর্টে। কিন্তু শুনানি ছাড়া কোনো অগ্রগতি হয়নি। এবছর তালিকাতেই রাখা হয়নি মামলাটি।কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর এসএম আব্রাহাম লিংকন বলেন, ভারতীয় উচ্চ আদালত যে সিদ্ধান্ত দিবেন তা উভয়ই দেশের জন্য মঙ্গলজনক হবে। অনেক ইতিবাচক সিদ্ধান্ত ভারতীয় সুপ্রিমকোর্ট বর্ডার ইস্যুর ব্যাপারটা উঠে আসবে।ফেলানী হত্যার ন্যায়বিচার না পেয়ে হতাশ স্বজনেরা। এ মামলার সুষ্ঠু বিচার হলে সীমান্তে হত্যা কমে আসতো বলে মনে করেন স্থানীয়রা।ফেলানীর বোন বলেন, আজকে নয় বছর আমার সাথে নাই এবং বোনের আদর থেকে বঞ্চিত হয়েছি। তার বিচার যেন ভালো করে সরকারের কাছে সে দাবিটা জানাই।ফেলানীর ভাই বলেন, দীর্ঘ নয় বছের হলো আমাদের বোন নাই আমাদের কাছে। সুষ্ঠ বিচারটা পেলাম না।
২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারের চৌধুরীহাট সীমান্ত চৌকির কাছে কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলে থাকতে দেখ যায় ফেলানীর মরদেহ। এর দুদিন পর পতাকা বৈঠক শেষে ফেলানীর মরদেহ বিজিবির কাছে ফেরত দেয় বিএসএফ।
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























