কঙ্গোতে দেড়শ সশস্ত্র মিলিশিয়া বাহিনীর সাথে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করতে হয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষা মিশনের সদস্যদের। জাতিগত দাঙ্গা দমনের পাশাপাশি এসব মিলিশিয়ার সাথে শান্তিচুক্তি করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে বাংলাদেশ। ঝুঁকিপূর্ণ এসব দুর্গম এলাকায় কাজ করতে গিয়ে এ পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ১৪ সেনা সদস্য।
কঙ্গোর রোই এলাকায় সংঘাত লেগেই থাকে। হেমা ও লেন্দু এই দুই জাতির দ্বন্দ্বে ওই এলাকায় এ পর্যন্ত মারা গেছেন হাজারো মানুষ। বিশেষ করে ফসল ঘরে তোলার সময় সেখানে সংঘর্ষ হয় বেশি।সমতল থেকে ৫০০০ ফিট উঁচুতে দুর্গম এলাকাটিতে শান্তি ফেরানোর কঠিন কাজে মোতায়েন আছে বাংলাদেশের সেনারা। ওঁত পেতে থাকা ১৫০টি সশস্ত্র মিলিশিয়াদের টার্গেট কখনও নিরীহ গ্রামবাসী, আবার কখনও বা শান্তি মিশনের সদস্যরা।রোই-জুগু ও এ্যাভোবার গ্রামগুলোতে যেখানে মর্টার ও গুলির শব্দ নিত্যদিনের সঙ্গী, সেখানে সবসময়ই ভারী অস্ত্র ও সাঁজোয়া যান নিয়ে টহল দিতে হয় বাংলাদেশি সেনাদের।তবে শুধু সশস্ত্র অভিযান নয়, শান্তিপূর্ণ উপায়ে সংঘাত নিরসনের চেষ্টাও করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এরই মধ্যে অস্ত্রবিরতিতে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে অন্যতম ভয়াবহ মিলিশিয়া গ্রুপ এফআরপিআই।
কঙ্গো সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারাও শোনালেন, কতটা ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশি সেনারা মিলিশিয়াদের প্রতিহত করে দেশটিতে শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করছে।শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে বারবার আক্রমণের শিকার হতে হয়েছে, তারপরও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ক্যাম্প স্থাপন করে প্রতিনিয়ত সন্ত্রাস দমনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশের সেনারা।
তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেণ্ট
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























