মিয়ানমারকে নিজ দেশের নাগরিকদের ওপর হত্যাযজ্ঞ বন্ধের আহ্বান জানান গাম্বিয়ার বিচারমন্ত্রী ও অ্যাটর্নি জেনারেল আবুবকর মারি তামবাদু।গণহত্যার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের জাতিগতভাবে নির্মূল করাই ছিল মিয়ানমারের মূল উদ্দেশ্য। এ লক্ষ্যেই রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর পরিকল্পিতভাবে গণহত্যা চালায় দেশটির সেনাবাহিনী।  নেদারল্যান্ডের হেগে আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার শুনানির প্রথম দিনে এসব অভিযোগ উত্থাপন করে মামলার বাদী আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া।শুনানির শুরুতে মিয়ানমারকে নিজ দেশের নাগরিকদের ওপর হত্যাযজ্ঞ বন্ধের আহ্বান জানান গাম্বিয়ার বিচারমন্ত্রী ও অ্যাটর্নি জেনারেল আবুবকর মারি তামবাদু।

তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমার নয়, একথা বুঝিয়ে দিতে প্রকাশ্যে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। আন্তর্জাতিক আদালতে অনুষ্ঠিত শুনানিতে রোহিঙ্গাদের ওপর হত্যা, নির্যাতন ও যৌন সহিংসতার বিবরণ দেন আইনজীবীরা।তারা বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের সব পর্যায় থেকে দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ছড়াচ্ছে মিয়ানমার।’ বর্তমানে রাখাইনে বসবাস করা ছয় লাখ রোহিঙ্গাও গণহত্যার ঝুঁকিতে রয়েছে রয়েছে জানিয়ে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে আদালতের প্রতি আহ্বান জানান গাম্বিয়ার আইনজীবীরা।

রোহিঙ্গা গণহত্যার দায়ে আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার করা মামলার প্রথম দিনের শুনানি আজ। গত ১১ই নভেম্বর, জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করে গাম্বিয়া। মিয়ানমার ও গাম্বিয়া দুই দেশই ১৯৪৮ সালের জেনোসাইড কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশ। রাখাইনে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইসিজে’তে ৪৬ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন জমা দেয় গাম্বিয়া।

ডিবিসি থেকে

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে