২০১০ সাল থেকে ৮ দফায় ৮২ শতাংশ বেড়েছে বিদ্যুতের দাম। আগামী জানুয়ারি থেকে আবারও দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এ নিয়ে আজ থেকে শুরু হলো গণশুনানি। এদিকে, গত কয়েক মাসে নিত্যপণ্যের বাড়তি খরচের মধ্যেই বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর উদ্যোগে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ক্যাব।
গেলো নয় বছরে দফায় দফায় বেড়েছে বিদ্যুতের দাম। গ্রাহক-পর্যায়ে সবশেষ দাম বাড়ে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে। আসছে জানুয়ারি থেকে আবারও দাম বাড়াতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন- বিইআরসিতে প্রস্তাব পাঠিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ কোম্পানিগুলো। তাদের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতেই আজ থেকে গণশুনানি শুরু।বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব অযৌক্তিক দাবি করছে ভোক্তা অধিকার সংগঠন-ক্যাব। আর ব্যবসায়ীরা বলছেন, এর ফলে বাধাগ্রস্ত হবে শিল্পায়ন। তবে পিডিবির দাবি, ২০২০ সালে তাদের ঘাটতি দাঁড়াবে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা। তা সমন্বয়ের জন্যই পাইকারিতে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব।আর পিডিবির আবেদনের পরপরই খুচরা পর্যায়ে দাম সমন্বয় চেয়ে আবেদন করেছে বিতরণ কোম্পানিগুলো। পাশাপাশি সঞ্চালন চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ- পিজিসিবি।
তবে বিদ্যুৎ সচিব বলছেন, সরকার ভর্তুকি দিলে দাম বাড়ানোর দরকার হবে না। ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিগুলোর আবেদনের ওপর গণশুনানি করবে বিইআরসি। আইন অনুযায়ী এর ৯০ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত দিতে হবে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে।
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ




























