২০১৫ সালে ৫ নভেম্বর দিনটিকে বিশ্ব সুনামি সচেতনতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে জাতিসংঘ।এবছর ভারত মহাসাগরে ঘটে যাওয়া স্মরণকালের সবচেয়ে বড় সুনামির ১৫ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরের তলদেশে ভূমিকম্পের ফলে হওয়া এই সুনামিতে ১৪টি দেশে প্রায় দুই লাখ ৩০ হাজার মানুষ মারা যায়। প্রায় ১৫ শত কোটি ডলার সমপরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয় ওই প্রাকৃতিক দুর্যোগে।
দিবসটি উপলক্ষ্যে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই দিবস উপলক্ষ্যে এক বাণীতে বলেন, “এই দুর্যোগের পরে প্যাসিফিক ও ভারত মহাসাগর, ক্যারিবীয় উপসাগর, উত্তর-পূর্ব আটলান্টিক, ভূ-মধ্যসাগরসহ অন্যান্য সাগরেও সুনামি পূর্ববর্তী সতর্কতা ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হয়। যার ফলে অনেক প্রাণ বেঁচেছে।”তবে গত ২০ বছর ধরে বিভিন্ন দুর্যোগে অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণের হিসাব থেকে এটা পরিষ্কার যে দুর্যোগ-প্রতিরোধী সঙ্কটকালীন অবকাঠামোর গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন হইনি আমরা। সুনামি, ভূমিকম্পসহ অন্যান্য চরম প্রাকৃতিক দুর্যোগকালে জরুরি জনসেবা নির্বিঘ্ন করার জন্য এটি জরুরি।”তিনি আরো বলেন, বর্তমানে প্রায় ৬৮ কোটি মানুষ উপকূলীয় নিচুভূমিতে বাস করছে, যা ২০৫০ সালে এই সংখ্যা ১০০ কোটিতে পৌঁছাবে। এর সঙ্গে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতাও বাড়তে থাকায় তা সুনামির ক্ষতিকারী ক্ষমতা আরো বৃদ্ধি করবে। এতে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে নেয়া পদক্ষেপসমূহ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বিশ্ব সুনামি সচেতনতা দিবসের প্রাক্কালে বিশ্বের দেশগুলোর সরকার, স্থানীয় সরকার ও নির্মাতা প্রতিষ্ঠানসমূহকে দুর্যোগ আশঙ্কার তথ্যসম্বলিত এবং প্রতিরোধী উন্নয়নে মনোযোগ দেয়ার আহ্বান জানান জাতিসংঘ মহাসচিব।
তথ্যঃ ডিবিসি
অনলাইন নিউজ ডেস্ক।। বিডি টাইম্স নিউজ














