রিচার্জেবল পৃথিবী গড়ার স্বীকৃতি হিসেবে রসায়নে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী যুক্তরাষ্ট্রের জন গুডএনাফ, যুক্তরাজ্যের স্ট্যানলি হুইটিংহ্যাম এবং জাপানের আকিরা ইয়োশিনো। লিথিয়াম ব্যাটারির বিকাশে অবদান রাখায় যৌথভাবে এ সম্মান দেয়া হলো তাদের। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৯২ বছরে নোবেল পেয়ে ইতিহাস গড়েছেন জন গুডএনাফ।
পেস মেকার থেকে মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপ, আজকাল গাড়িও চলছে লিথিয়ান-আয়ন ব্যাটারিতে। কম ওজন, রিচার্জেবল আর শক্তির কারণে বাড়ছে এর ব্যবহার।সত্তরের দশকে তেল সংকটের পর পরই এ নিয়ে শুরু হয় গবেষণা। আর এর মূলভাগে ছিলেন যুক্তরাজ্যের রসায়নবিদ এম স্ট্যানলি হুইটিংহ্যাম। টাইটেনিয়াম ডাইসালফাইড তারই আবিস্কার। এটি লিথিয়াম ব্যাটারির পজিটিভ টার্মিনালে ক্যাথড তৈরিতে ব্যবহার হয়। পরে নেগেটিভ টার্মিনাল, অ্যানডও তৈরি করেন তিনিই। এতে সঞ্চার হয় দুই ভোল্টের বেশি শক্তি। তবে বিস্ফোরণ ঝুঁকি ছিলো তার তৈরি ম্যাটালিক লিথিয়ামের।পরের ধাপে মার্কিন-জার্মান বংশোদ্ভুত জন গুডএনাফ ধারণা করেন, ক্যাথড উন্নয়নে সালফাইডের বদলে ব্যবহার করা যাবে মেটাল অক্সাইডও। ১৯৮০ সালে লিথিয়াম ব্যাটারিতে কোবাল্ট অক্সাইড ব্যবহার করেন তিনি। এতে ব্যাটারির শক্তি বাড়ে চার ভোল্ট পর্যন্ত।১৯৮৫ সালে, আকিরা ইয়োশিনোকে সঙ্গে নিয়ে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে লিথিয়াম ব্যাটারি তৈরি করেন গুডএনাফ।আর এর মধ্য দিয়েই রিচার্জেবল বিশ্ব গড়ার স্বীকৃতি পেলেন এই তিনি বিজ্ঞানী।
রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের মহাসচিব গোরান হানসন বলেন, “লিথিয়ন-আয়ন ব্যাটারি বিকাশে অবদানের জন্য এই বছর রসায়নে যৌথভাবে জন বি. গুডএনাফ, এম. স্ট্যানলি হুইটিংহ্যাম এবং আকিরা ইয়োশিনোকে স্বীকৃতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নোবেল কমিটি।”এবার নোবেল পুরস্কারের ৯০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার ভাগ করে নেবেন তারা। ১০ ডিসেম্বর স্টকহোমে তুলে দেয়া হবে পুরস্কার।
তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























