দক্ষ প্রশিক্ষকের অভাব, আঞ্চলিক শাখাগুলোর নিষ্ক্রিয়তা এবং মানসম্পন্ন ক্রীড়াবিদ না থাকার কারণে সর্বোচ্চ সুযোগ সুবিধা থাকা সত্ত্বেও বিকেএসপি ৩৩ বছরে কাংখিত সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। যা দেশের গোটা ক্রীড়াঙ্গনের মলিন চেহারার বড় কারণ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকরা।
সাভার ক্যাম্পাস ছাড়াও বিকেএসপির পাঁচটি আঞ্চলিক শাখা আছে। সাভারের জিরানিতেই ৮’শতাধিক শিক্ষার্থী ১৭টি বিভাগের খেলায় প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। বিকেএসপিতে আছে সকল সুযোগ সুবিধা। তার বিপরীতে সাফল্যের হার খুবই কম। দক্ষ প্রশিক্ষকের অভাব দিন দিন প্রতিষ্ঠানটির সাফল্যের হার কমাতে কমাতে তলানিতে নিয়ে গেছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, সিলেট, খুলনা ও বরিশালে বিকেএসপি’র পাঁচটি আঞ্চলিক শাখা। কক্সবাজারের রামু এবং রাজশাহীর পবাতে আরো দু’টি আঞ্চলিক শাখা চালুর কাজ চলছে। আঞ্চলিক শাখায় দক্ষ প্রশিক্ষক নেই। তাই তৈরি হচ্ছে না মানসম্পন্ন ক্রীড়াবিদ। চাহিদা অনুযায়ী খেলোয়াড় যোগান দিতে পারছেনা বিকেএসপি, এমন বাস্তবতায় অসন্তুষ্ট দেশের বিভিন্ন খেলার ফেডারেশনগুলো। হকিতে খেলোয়াড় সবচেয়ে বেশি, বাকি খেলাগুলোতে এখনো চাহিদার তুলনায় খুবই কম।
বিকেএসপির দুর্বল জায়গাগুলো খুঁজে সেখানে সমাধান করলে ভালো মানের প্রশিক্ষক যেমন বেরিয়ে আসবে, তেমনি তৈরি হবে দক্ষ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য আনার মতো খেলোয়াড়, এমন বিশ্বাস ক্রীড়া বোদ্ধাদের।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














