কক্সবাজারে নির্বিচারে বন ও পাহাড় কেটে রোহিঙ্গাদের বসতি করায় দুই বছরে ধ্বংস হয়েছে অন্তত ৬ হাজার ২০০ একর ভূমি। ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১৯শ কোটি টাকার। এ তথ্য দিয়েছে বন বিভাগ। পরিবেশ কর্মীরা বলছেন, আশ্রয় শিবির ছাড়িয়ে হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান ও টেকনাফ অভয়ারণ্যেও ঢুকে পড়েছে রোহিঙ্গারা। ফলে, হুমকিতে পড়েছে এ পর্যটন এলাকার জীববৈচিত্র।

মিয়ানমারে রাষ্ট্রীয় নির্যাতন থেকে প্রাণে বাঁচতে ২০১৭ সালের আগস্টে কক্সবাজারে আশ্রয় নেয় কয়েক লাখ রোহিঙ্গা। সেসময় টেকনাফ ও উখিয়ায় নির্বিচারে বনাঞ্চল ধ্বংস ও পাহাড় কেটে বসতি স্থাপন করে তারা। বন বিভাগের চালানো জরিপে উঠে এসেছে, রোহিঙ্গাদের কারণে মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয়ের ভয়াবহতা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উখিয়ার কুতুপালং এবং টেকনাফের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৬ হাজার ২০০ একর ভূমিতে বসতি গেড়েছে রোহিঙ্গারা। এতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১৯শ’ কোটি টাকার। এরই মধ্যে হয়ে যাওয়া ক্ষতি আর পোষানো না গেলেও ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে রোহিঙ্গাদের অন্য স্থানে সরিয়ে নেয়া জরুরী বলে মনে করছেন পরিবেশ কর্মীরা।

উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি শিবিরে এখন বাস করছে প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গা, যাদের বেশিরভাগেরই বসতি পাহাড়ি জমিতে। পাহাড় ও বনভূমি কেটে অপরিকল্পিত রোহিঙ্গা বসতি গড়ে তোলায় বর্ষায় পাহাড়ধসের আশঙ্কাও করছে বন বিভাগ।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ
বাড়ি পর্যটক ও পর্যটন পরিবেশ ও প্রকৃতি কক্সবাজারে বন ও পাহাড় কেটে রোহিঙ্গাদের বসতি করায় ধ্বংস হয়েছে অন্তত ৬,২০০...














