বন্যার পানি কমার সাথে সাথে বিভিন্ন এলাকায় নদী ভাঙন তীব্র হয়েছে। পদ্মা, যমুনা, কীর্তিনাশা, মধুমতি ও আড়িয়াল খাঁ’র ভাঙনে এরই মধ্যে বিলীন হয়েছে কয়েকশ’ বসতঘর। ঝুঁকিতে রয়েছে অসংখ্য স্থাপনা। শরীয়তপুরে পদ্মা ও কীর্তিনাশার ভাঙনে এরই মধ্যে গৃহহীন হয়েছে ১৬২ পরিবার। নওপাড়ায় নদীতীর রক্ষা বাঁধের ৩০ মিটার বিলীন হয়েছে নদীতে।
ভাঙনে সুরেশ্বর দরবার শরীফের একটি ভবন হেলে পড়েছে। ফাটল দেখা দেয়ায় ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে প্রশাসন। প্রতিদিনের ভাঙনে আতঙ্কিত সময় কাটছে নদী তীরের বাসিন্দাদের।ভাঙন কবলিতদের সহায়তার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা আছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, তীব্র স্রোতে ব্যাহত হচ্ছে প্রতিরোধ ব্যবস্থা।নড়িয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা জয়ন্তী রূপা বলেন, আমাদের পর্যাপ্ত ত্রান সহায়তা রয়েছে। যে কোন পরিস্থিতিতে ভাঙন কবলিতদের সাহায্যার্থে আমরা প্রস্তুত আছি।শরীয়তপুর পাউবোর নির্বাহী প্রকেীশলী প্রকাশ কৃষ্ণ সরকার বলেন, নদীতে স্রোতে এবং পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় কাজ করা সম্ভব হচ্ছেনা। আশা করছি ২ মাসের মধ্যে কাজ শুরু করতে পারব। ফরিদপুরের সদরপুর, চরভদ্রাসন, মধুখালী ও আলফাডাঙ্গা উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে এবছর ভাঙনের শিকার ৩ শতাধিক পরিবার। এরমধ্যে আড়িয়াল খাঁ ও মধুমতির ভাঙন তীব্র হয়েছে সদরপুর ও আলফাডাঙ্গায়। ভাঙন ঠেকাতে কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
ফরিদপুর পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বলেন, তাৎক্ষনিক ভাঙ্গন ঠেকাতে এরই মধ্যে এই এলাকায় বালি ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা শুরু করেছে। ফলে কিছুটা হলেও ওই এলাকার মানুষ রক্ষা পাবে।জামাল পুরে যমুনার ভাঙ্গনে দেওয়ানগঞ্জ, মেলান্দহ ও ইসলামপুরের শতাধিক বসতবাড়ি, অর্ধশত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ফসলি জমি বিলীন হয়েছে। ভিটেমাটি হারিয়ে অনেকে আশ্রয় নিয়েছেন খোলা আকাশের নিচে।
তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














