তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতূর্থ স্তম্ভ। সেকারণে নির্বাহী বিভাগের সাথে সংবাদপত্রসহ সকল গণমাধ্যমের যোগসূত্র থাকা একান্তভাবে জরুরি। গণমাধ্যমে ভালো কাজের প্রশংসা প্রয়োজন, আর সমালোচনা হতে হবে গঠনমূলক।’ বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ সংবাদপত্র সম্পাদক ও প্রকাশক পরিষদের সাথে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী একথা বলেন। তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আজহারুল হক এসময় উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রচার সংখ্যায় কম-বেশি, আকারে ছোট-বড় সকল সংবাদপত্রই গুরুত্বপূর্ণ। প্রচার সংখ্যা কম হলেও গুণগতমানে কোনো সংবাদপত্র এগিয়ে থাকতে পারে। তাই সকল সংবাদপত্রকে বস্তুনিষ্ঠতা ও গুণগতমান বজায় রাখতে সচেষ্ট থাকা প্রয়োজন।সভায় পরিষদের সভাপতি শিহরন রশীদ ও কার্যকরি সদস্যবৃন্দ উত্থাপিত প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে-তথ্য অধিদফতর থেকে প্রতিদিন একটি সচিত্র প্রতিবেদন সংবাদপত্রগুলোতে প্রেরণ, বিজ্ঞাপন ও ক্রোড়পত্র প্রদানের ক্ষেত্রে সকল সংবাদপত্রের জন্য সুবিবেচনা, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতিকক্ষ স্থাপন ও বঙ্গবন্ধু স্মারকগ্রস্থ প্রকাশের প্রস্তাব। মন্ত্রী প্রস্তাবগুলো সুবিবেচনার আশ্বাস দেন।

বাংলাদেশ সংবাদপত্র সম্পাদক ও প্রকাশক পরিষদের সভাপতি ডেইলি ট্রাইবুনালের সম্পাদক শিহরন রশীদ, দর্শন প্রতিদিনের সম্পাদক আতিকুর রহমান চৌধুরী, দৈনিক আমার পাতার মোঃ জসিম উদ্দিন, সিটিজেন টাইমের নাজমুল আহম্মদ তৌফিক, বাংলাদেশ কণ্ঠের ফারুক খান, চাঁদপুর জমিনের মোঃ রোকনুজ্জামান রোকন, বাংলাদেশের আলো’র মফিজুর রহমান খান বাবু, বাংলার নবকণ্ঠে রুমাজ্জল হোসেন রুবেল. আমার দিনের আহসান হাবিব, দৈনিক নবজীবনের নূরুন নাহার রিতা,  ডেইলি ইভিনিং নিউজের এ,বিএম, সেলিম আহমেদ, আলোকিত একুশের সংবাদের হেদায়েত উল্যাহ মানিক, দৈনিক রুপালী বাংলাদেশের ইমদাদুল হক বিশ্বাস, দৈনিক প্রথম কথার নটো কিশোর আদিত্য, আমার বার্তা’র হারুন চৌধুরী, দৈনিক সবুজ নিশানের এডভোকেট মু. আবু সাঈদ সোহান, দৈনিক দেশবার্তার কাজী জাহিদ ইকবাল হোসেন, দৈনিক স্বাধীন বাংলার মোঃ আখলাকুল আম্বিয়া, এবং লাখোকণ্ঠের ফরিদ আহম্মদ বাঙ্গালী সভায় অংশ নেন।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে