জোটভুক্ত হয়ে নির্বাচন করলেও এবারের মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দল ও মহাজোটের শরিক দলগুলোর কোনও নেতা। এমন ঘটনায় বিস্মিত মহাজোটের শরীক দলের নেতারা বলছেন, এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের সাথে আলোচনা করবেন তারা। অবশ্য এখনও শরিকদের মন্ত্রীত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে আওয়ামী লীগ।
২০০৮ থেকে ২০১৪, টানা তিনটি জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪দলের সাথে মহাজোটের শরিক হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলো জাতীয় পার্টি, জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, বিপ্লবী গণতান্ত্রিক পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। প্রতিবারই সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পালন করেন তারা।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত মন্ত্রিসভায় শরিকদলগুলো থেকে মন্ত্রীত্ব পান ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন, জাসদের হাসানুল হক ইনু, জাপা (মঞ্জু)এর আনোয়ার হোসেন হোসেন মঞ্জু। সেই মন্ত্রিসভায় জাতীয় পার্টির নেতারাও তিনটি পূর্ণমন্ত্রী ও একটি প্রতিমন্ত্রীর পদ পান। তারা হলেন, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, মুজিবুল হক চুন্নু ও মসিউর রহমান রাঙ্গা। মন্ত্রীর মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত ছিলেন জাতীয় পাির্টর চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এর আগের মন্ত্রিসভাতেও গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন শরিক দলের নেতারা।
এবার মন্ত্রিসভা গঠনের আগেই জাতীয় সংসদের স্পিকারকে চিঠি দিয়ে বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্ব পালনের ঘোষণা দেয় জাতীয় পার্টি। তবে এবারও মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়ার প্রত্যাশা ছিলো মহাজোটের অন্য শরীকদের। কিন্তু ঘোষিত মন্ত্রিসভায় আওয়ামী লীগের বাইরে কারোরই ঠাঁই হয়নি। এ ঘটনায় কিছুটা বিস্মিত হলেও এখনো আশাবাদী শরিক দলের নেতারা।
এদিকে, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে মন্ত্রিসভার আকার বাড়তে পারে। সেক্ষেত্রে শরিক দলের নেতাদের মূল্যায়ন হওয়ার সুযোগ রয়েছে। সোমবার বিকেলে বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ৪৭ সদস্যের মন্ত্রীসভা শপথ গ্রহণ করে।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














