দারিদ্য মোচন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ ১৭ লক্ষ্য বাস্তবায়নের মাধ্যমে জীবনমানে পরিবর্তন আনতে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-এসডিজি ঠিক করেছে জাতিসংঘ। অর্থ ব্যবহারে অপচয় ও দুর্নীতি বন্ধ না হলে, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়। এছাড়া অভ্যন্তরীণ অর্থায়নে সক্ষমতা বাড়ানোর কৌশল নির্ধারণের পরামর্শও দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা। এক্ষেত্রে রাজস্ব সংগ্রহ ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর পাশাপাশি ব্যক্তিখাতে বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির তাগিদ তাদের।

২০৩০ সালের মধ্যে এ উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে খরচ করতে হবে অন্তত ৭৬ লাখ কোটি টাকা। এই অর্থায়নের সবচেয়ে বেশি ৪২ শতাংশ আসবে বেসরকারি খাত থেকে, ৩৫ ভাগ সরকারি খাতের। বাকি ২৩ শতাংশ আসবে নানা উন্নয়ন সংস্থা ও পিপিপি থেকে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, এসডিজি বাস্তবায়নে কমাতে হবে আয় বৈষম্য। আর এজন্য অর্থের সঠিক ব্যবহার ও বন্টনে গুরুত্ব দিতে বলছেন তারা। এসডিজির সঙ্গে মিল রেখে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রধান্য দেয়ার পাশাপাশি প্রকল্পের সঠিক পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নে জোর দেয়ার পরামর্শও তাদের।

দেশে দরিদ্র তিন আর হতদরিদ্রের সংখ্যা এক কোটি। তবে বছরে ২ ভাগ হারে কমিয়ে ২০৩০ সালের আগেই দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার আশা সরকারের।

নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে