বেপরোয়া যান চলাচলে রাজধানীতে বেড়েই চলেছে সড়ক দুর্ঘটনা। সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ৩০ ভাগই বাস ও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গণপরিবহনের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি ঢালাওভাবে মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন বন্ধ করতে হবে।
রাজধানীর বাংলামোটর। একপাশের সিগনাল ছাড়তেই ছুটতে শুরু করে উল্টো দিকের মোটরসাইকেল। তৈরি হয় বিশৃঙ্খলা, এই চিত্র রাজধানীর প্রায় প্রতিটি রাস্তার। ট্রাফিক আইন অমান্য, বেপরোয়া গতি, ইচ্ছেমতো ওভারটেকিং তো আছেই সেইসঙ্গে দুই জনের বেশি আরোহী নিয়ে চলছে ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল।
রাজধানীতে রাইড শেয়ারিং চালু হওয়ার পর মোটরসাইকেলের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন। বিআরটিএর হিসেবে ২০১৬ সালে ৪৮ হাজার ৯২৩টির রেজিস্ট্রেশন হয়। ২০১৭ সালে এ সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৭৫ হাজারে। বর্তমানে ঢাকার রাস্তায় চলছে প্রায় পাঁচ লাখ মোটরসাইকেল। রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসেন সড়ক দুর্ঘটনার শিকার অন্তত চারশো রোগী। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, যার অন্তত ৩০ শতাংশই রাজধানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার।
সড়কে বেপরোয়া গাড়ি চালনার দায়ে চলতি বছরের প্রথম চারমাসেই সাড়ে চারহাজারেও বেশি মামলা করেছে বিআরটিএ। কর্তৃপক্ষ বলছে, যার ৫০ ভাগই মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে। দুর্ঘটনা রোধে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে আরো কঠোর হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধে চালক ও আরোহীকে আরো সচেতন হওয়ার আহ্বান সংশ্লিষ্টদের।
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ














