রাঙামাটির নানিয়ারচরে পাহাড় ধসে ১১ জন নিহত হয়েছেন। কক্সবাজারের মহেশখালীতে নিহত হয়েছেন আরো একজন। এছাড়া উখিয়ায় রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে গাছচাপায় মারা গেছে এক রোহিঙ্গা শিশু। নিহতদের উদ্ধারে নানিয়ারচরে রওনা হয়েছে রাঙামাটি ফায়ার সার্ভিসের একটি দল।
গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে পাহাড় ধসের ঝুঁকি তৈরি হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে। ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে মাইকিং করে প্রশাসন। তবে প্রশাসনের আহ্বানে সাড়া দেননি অনেকেই। মঙ্গলবার ভোর থেকে রাঙামাটির সাবেক্ষ্যং, বুড়িঘাট ও গিলাছড়ি ইউনিয়নে একের পর এক ধসে পরে পাহাড়। মাটিচাপায় বড়হুল পাড়া, শিয়াল্লে পাড়ায়, হাতিমারা ও চৌধুরীছড়ায় বাড়তে থাকে হতাহতের সংখ্যা।
অতি বৃষ্টিতে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল। বাঘাইছড়ি, লংগদু, জুরাছড়ি, বরকল কাউখালী উপজেলায় দেখা দিয়েছে বন্যা। রাউজান সড়কে পানি ওঠায় চট্টগ্রামের সঙ্গে রাঙামাটির সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। বান্দরবান-চট্টগ্রাম সড়কের বাজালিয়া এলাকায় রাস্তা ডুবে যাওয়ায় বান্দরবানের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। প্লাবিত হয়েছে লামা ও শহরের নিচু এলাকা। ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দাদের সরকারি বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিতে অনুরোধ করা হয়েছে। ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের জেলা পর্যায় এবং সব উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টিতে নিচু এলাকা তলিয়ে গেছে। নগরীর বাকলিয়া, চকবাজার, হালিশহর, সিডিএ আবাসিক এলাকাসহ বেশ কিছু নিচু এলাকায় জমেছে হাটু পানি। চরম ভোগান্তিতে পড়েছে স্থানীয়রা। পাহাড়ের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের নিরাপদে স্থানে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সঞ্চালনশীল মেঘের কারণে বুধবার পর্যন্ত এই ভারী বৃষ্টি থাকবে।
সাদমান রহমান সৈমিক
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ














