চুক্তির ৫ বছরেও চালু করা যায়নি ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে সরাসরি ফ্লাইট। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা এফএএ-এর ক্যাটাগরি-একে মানোন্নয়ন পেতে এরই মধ্যে শেষ হয়েছে প্রথম অডিট। এ বিষয়ে ইতিবাচক খবর আসতে পারে আগামী বছরের শুরুতে।
১৯৯৩ সালে ঢাকা থেকে আমস্টারডাম হয়ে নিউ ইয়র্কে ফ্লাইট শুরু করে বাংলাদেশ বিমান। পরে ডিসি ১০ উড়োজাহাজ ব্যবহার করে সপ্তাহে তিন দিন ঢাকা থেকে দুবাই এবং ব্রাসেলস হয়ে নিউ ইয়র্ক যাচ্ছিলো রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থাটি। ২০০৬ সালে ক্যাটাগরি-২-এ অবনমন হাওয়ায় বন্ধ হয়ে যায় ফ্লাইট। ২০১৩-এর আগস্টে আবারও ফ্লাইট শুরু করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উড়োজাহাজ চলাচল চুক্তি সই করে বাংলাদেশ। ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অথরিটির চাহিদা অনুযায়ী নিরাপত্তা বাড়ানোসহ আনুসঙ্গিক কাজ শুরু করে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। তবে গত ৫ বছরেও শুরু করা যায়নি ঢাকা-নিউ ইয়র্ক ফ্লাইট।
২০১৪ সালে ড্রাই লিজ পদ্ধতিতে উড়োজাহাজ ভাড়া করে ঢাকা-নিউ ইয়র্ক ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেয়া বিমান। আসে টিকিট দেয়ার ঘোষণাও। তবে নানা জটিলতায় আটকে যায় সে উদ্যোগ। বিমান বহরে নতুন যুক্ত হতে যাওয়া বোয়িং ৭৮৭ ড্রিম-লাইনার দিয়ে আবারও রুট সচলের পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ বিমান। ২০০৬ সালের আগ পর্যন্ত নিউ ইয়র্ক রুটে প্রতি ফ্লাইটে ৩৫ লাখ টাকা করে লোকসান গুনেছে বিমান। তবে সংস্থাটির দাবি, বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার অন্য উড়োজাহাজের তুলনায় ২৫ শতাংশ জ্বালানি সাশ্রয়ী আর টানা ১৬ ঘণ্টা উড়তে সক্ষম হওয়ায় এই রুটে খুলছে তুন সম্ভাবনার দুয়ার।
অনলাইন ডেস্ক, বিডি টাইমস্ নিউজ














