
নগরায়ন ঘটছে নাগরিক সুবিধা ছাড়াই। ভাঙাচোরা মাটির রাস্তা, নেই সুয়ারেজ ব্যবস্থা তারপরও একের পর এক অট্টালিকা উঠছে ঢাকা উত্তর সিটির ৫৩ নং ওয়ার্ডে। যে ওয়ার্ডটি সিটি করপোরেশনভুক্ত হয় ২০১৬ সালে। উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরের পাশে বামনারটেক ও নওভোগের এই এলাকার যত ভেতরে যাওয়া যায় ততই মানুষের দুর্ভোগ চোখে পড়ে। এলাকাবাসী দুঃখ করে বলেন, আসলেই দুঃখের এবং লজ্জার বিষয় যে আমরা ঢাকাতে থাকি। আগে ভাবতাম ইউনিয়ন পরিষদে কোন উন্নয়ন হয়নি, সিটি কর্পোরেশনের অধীনে গেলে হবে। কিন্তু একি অবস্থা রাস্তার। কিছু সড়কের সংস্কার শুরু হলেও কাজে কচ্ছপ গতি। ফলে ভোগান্তি চরমে।
স্থানীয়রা জানান, কাউন্সিলর আশ্বাস দিচ্ছেন শুধু হবে হচ্ছে বলে। শুধু এই এলাকা না, সিটি করপোরেশনে ঢুকেছে এমন অনেক এলাকা। এর ফলে পরিবর্তন হবে, স্থানীয় বাসিন্দারা এমন আশায় বুক বেঁধেছিলেন ৬-৭ বছর আগে, তা কবে শেষ হবে তা জানে না কেউ। এর জবাব নেই নগরপিতার কাছেও। কারণ টাকা দিচ্ছে না সরকার। মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের ৪ হাজার ২৫ কোটি টাকার প্রজেক্টে ২৭শ’ কোটি টাকা সরকার বর্তমান পরিস্থিতির জন্যে বন্ধ করে দিয়েছেন। সেই কারণে আমাদের পুরো প্রজেক্টই ঝুলে গিয়েছে।
নগরবিদ ইকবাল হাবিব বলছেন, অর্থনৈতিক অভিঘাতের কারণে সরকারের সংকোচন নীতি থাকতেই পারে তবে নাগরিক সুবিধাকে প্রাধান্য দিতে হবে সবার আগে। উত্তর সিটিতে নতুন সংযুক্ত ১৮টি ওয়ার্ডের উন্নয়নের জন্যে ২০২০ সালে ৪ হাজার ২৫ কোটি টাকা একনেকে অনুমোদন দেয়া হয়েছিল। কিন্তু গত ৩ বছরে এখন পর্যন্ত ছাড় হয়েছে মাত্র ৮০ কোটি টাকা। চলমান অর্থনৈতিক সংকটের কারণে প্রায় স্থগিত এ অঞ্চলের উন্নয়ন কার্যক্রম।





























