আগামী নির্বাচনে ৮০ থেকে ১০০ বর্তমান সংসদ সদস্য আর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাচ্ছেন না। দলের নীতি নির্ধারকরা জানান, জনগণের কাছে অগ্রহণযোগ্য হয়ে পড়ায় তারা বাদ পড়ছেন। তাদের বিরুদ্ধে অপকর্মের নানা তথ্য এসেছে দলের কাছে। সব দলের অংশ গ্রহণে আগামী নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ হবে, ধরে নিয়ে যোগ্য প্রার্থী বাছাই শুরু করেছে ক্ষমতাসীন দল।

নির্বাচনকালীন সরকারের দাবিতে মাঠ গরম করছে বিএনপি। অন্যদিকে, বর্তমান সরকারের অধীনেই দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন করার অনড় অবস্থানে আওয়ামী লীগ। তবে, নির্বাচনের সময় সরকার পদ্ধতি যাই হোক ক্ষমতাসীনরা মনে করছেন শেষ পর্যন্ত সব দলের অংশ গ্রহণেই ভোট হবে।

আওয়ামী লীগের নীতি নির্ধারকদের মতে, ২০১৪ ও ১৮ সালের নির্বাচনের চেয়ে এবার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীতার মুখে পড়বে তাদের দল। তাই যোগ্য প্রার্থী নিশ্চিত করা জরুরি। দলের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় তেমনই আভাস দিয়েছেন শেখ হাসিনা। দেশি-বিদেশি কয়েকটি সংস্থা ও দলীয়ভাবে মাঠ জরিপ চালাচ্ছেন শেখ হাসিনা। এতে গুরুত্ব পাচ্ছে, বর্তমান ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের গ্রহণযোগ্যতা, দলের সাথে সম্পর্ক, উন্নয়নে ভূমিকা ও প্রতিপক্ষের প্রার্থীর সঙ্গে সঙ্গে তুলনাসহ নানা বিষয়।

নির্বাচনের এখনো এক বছর বাকি থাকায় কেউ জনপ্রিয়তা ফিরিয়ে আনতে পারলে দল মনোনয়নের জন্য বিবেচনা করতে পারে বলেও জানান, আওয়ামী লীগের নীতি নির্ধারকরা।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে