রংপুরে শুরু হয়েছে দু’দিনের পরিবহন ধর্মঘট। জেলা মোটর মালিক সমিতির ডাকা এই ধর্মঘটের কারণে বন্ধ আছে আন্ত:জেলা ও দূরপাল্লার সব ধরনের বাস, ট্রাক, পিকআপ চলাচল। ফলে পথে পথে সাধারণ মানুষের বিচিত্র ভোগান্তি হচ্ছে। বিভাগের বাকি সাত জেলা থেকেও রংপুরমুখী বাস চলছে না। বিএনপি নেতারা বলছেন, শনিবার রংপুরে দলের গণসমাবেশে বাধা দিতেই ধর্মঘট ডাকা হয়েছে।

খুলনার পর এবার রংপুরেও পরিবহন ধর্মঘটে মোটর, ট্রাক ও কার-মাইক্রোবাস মালিক সমিতির নেতারা। শুক্রবার সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে আন্ত:জেলা ও দূরপাল্লার বাস চলাচল। রংপুর থেকে কোনো বাস-ট্রাক যেমন ছাড়ছে না, তেমনি অন্য জেলা থেকেও বাস ঢুকছে না রংপুরে। নগরীর কেন্দ্রীয় টার্মিনালে গিয়ে দেখা গেছে, সারি সারি দাঁড়িয়ে রয়েছে বাস। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। শুধু রংপুর থেকে নয়, উত্তরের জেলা ঠাকুরগাও থেকেও রংপুরগামী কোনো বাস ছাড়ছে না। পরিবহন মালিক সমিতির ডাকা ধর্মঘটে ভোগান্তিতে রয়েছেন বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়া যাত্রীরা। লালমনিরহাটেও বন্ধ রয়েছে বাস চলাচল। টার্মিনালে এসে কোনো বাস না পেয়ে বেশি ভাড়ায় বিকল্প উপায় খুঁজছেন যাত্রীরা।

গাইবান্ধা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে শুক্রবার রংপুর ও বগুড়ার উদ্দেশে কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এসব রুটে বাস চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে মালিক শ্রমিক ইউনিয়ন। তবে ধর্মঘটকে পরিকল্পিত দাবি করে রংপুর বিভাগের বিএনপি নেতারা বলছেন, শনিবারে রংপুরে গণসমাবেশ বানচাল করতে ষড়যন্ত্র করছে সরকার। যেকোন মূল্যে সমাবেশ সফল করার ঘোষণা দেন তারা। নেতাকর্মীদের যেকোনো উপায়ে সমাবেশে যোগ দেয়ার আহ্বানও জানান বিএনপি’র স্থানীয় নেতারা।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে