রাজধানীতে হঠাৎ করে লোডশেডিং বাড়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। শুক্রবার সকালে রাজধানীর বারিধারায় সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিশ্ব বাজারে জ্বালানির দাম বাড়ায় দেশেও বাড়ে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ। পরিস্থিতি সামাল দিতে অফিস সূচির পরির্বতনসহ নানা উপায়ে সাশ্রয়ের উদ্যোগ নেয় সরকার। এসব পদক্ষেপের সুফল কতটা মিললো, এ প্রশ্নে বিদ্যুৎ ও জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী বলছেন, শুধু রাজধানীতেই পিক আওয়ায়ে বিদ্যুৎ ঘাটতি ছিল অন্তত ৫ হাজার মেগাওয়াট।
অফিসের সূচি পরিবর্তনে তা কমে এসেছে। এসময় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, রাজধানীতে পিক আওয়ারে যে ঘাটতি ছিলো তা কমিয়ে আনা গেছে। তবে রাজধানীতে হঠাৎ করে লোডশেডিং বাড়ার কোনো যৌক্তিক কারণ দেখছি না। তবে জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের পর হঠাৎ করেই লোডশেডিং বেড়েছে বলে অভিযোগ করছেন রাজধানীবাসী। কোনো এলাকায় এ সংখ্যা ৩ থেকে ৪ বার।
এদিকে, বিশ্ব বাজারে অস্থিরতা থাকায় দেশে জ্বালানি তেলের দাম শিগগিরই কমছে না, বিদ্যুতের দাম নিয়েও চলছে পর্যালোচনা। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তি। এর প্রভাব দেশের বাজারেও দেখা দিয়েছে। বিদ্যুৎতের দাম বাড়বে কি না পর্যালোচনা চলছে, জ্বালানি তেলের দাম শিগগিরই কমছে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।



























