বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। আজ শনিবার (২৮ মে ২০২২) সকাল ১০ ঘটিকায় মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এফ এম আবদুল মঈন এর নেতৃত্বে আনন্দ র্যালির মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কার্যক্রম শুরু হয়। র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিভিন্ন সড়ক ও ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে এসে শেষ হয়। র্যালি শেষে পতাকা উত্তোলন করার পর শান্তির প্রতীক পায়রা অবমুক্ত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এফ এম আবদুল মঈন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হুমায়ুুন কবির, মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোঃ আসাদুজ্জামান,শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী ও সাধারণ সম্পাদক ড. মোঃ মোকাদ্দেস-উল-ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকী, বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগের প্রধানগণ, বিভিন্ন হলের প্রভোস্টগণ, কর্মকর্তা সমিতি, কর্মচারী সমিতি, শিক্ষক,শিক্ষার্থীবৃন্দ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী। মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত আলোচনায় সবাইকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এফ এম আবদুল মঈন তাঁর বক্তব্যে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ হচ্ছে একাডেমিক চর্চা ও গবেষণা করা। আমরা বিভিন্ন কারণে যে সময় নষ্ট করি তা যদি জ্ঞান চর্চা ও গবেষণায় ব্যয় করা হয় তাহলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান-বিজ্ঞানে সুনামের সাথে অনেক দূর এগিয়ে যাবে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক ভাল মানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী রয়েছে। একাডেমিক চর্চায় নিয়োজিত হয়ে সবাই মিলে বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি উন্নমানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রূপ দেয়ার জন্য এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগের জন্য আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদেরকে আহবান জানাচ্ছি। মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেন, করোনা উত্তর সময়ে আমরা জাঁকজমকপূর্ণভাবে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদ্ধসঢ়;যাপন করতে পারিনি কিন্তু আমাদের আন্তরিকতার কোন ঘাটতি ছিল না। আজকে যারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং সবাইকে এক হয়ে সততার সহিত দায়িত্ব পালন করার আহবান জানাচ্ছি।
মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন,আর্থিক সংকটের মধ্যেও সুপরিকল্পিতভাবে সুন্দর অনুষ্ঠান আয়োজন করার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি উজ্জ্বলতর হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতিসহ যাঁদেরকে অনুষ্ঠান আয়োজনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তাঁরা সুন্দরভাবেই অনুষ্ঠান আয়োজন করেছেন। আগামীতে এই অনুষ্ঠান একটি কাঠামোর মধ্য দিয়ে আরো সুন্দরভাবে উদ্ধসঢ়;যাপন করা হবে। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে পরিবারের সবাইকে নিয়ে কেক কাটেন মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এফ এম আবদুল মঈন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন মার্কেটিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান। উল্লেখ্য, ১৬ পেরিয়ে ১৭তম বর্ষে পদার্পন করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।
ক্যাম্পাস ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














