সাবেক তথ্যমন্ত্রী ডাক্তার মুরাদ হাসানসহ দুই জনের বিরুদ্ধে রাজশাহী, সিলেট ও চট্টগ্রামে ডিজিটাল আইনে মামলা হয়েছে। মামলার অপর সামি করা হয়েছে উপস্থাপক মহিউদ্দিন হেলাল নাহিদকে।
রোববার দুপুরে রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলাটি করেন বগুড়া জেলা বিএনপির সিনিয়র যগ্ম আহ্বায়ক একেএম সাইফুল ইসলাম।মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, আসামিরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সামাজিক যোগাযোগে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে ব্যক্তিগতভাবে অপমান, অপদস্থ ও হেয় প্রতিপন্ন করেছেন। যা নারী সমাজের প্রতি অবমাননাকর, অপমানজনক এবং আইনত শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এর ফলে দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও আইনশৃংখলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।সিলেটে অ্যাডভোকেট তানভীর আক্তার খান বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আগামী ১৫ ডিসেম্বর এ বিষয়ে আদেশ দিবে আদালত।
এছাড়া চট্টগ্রামে আরেকটি মামলা করেছেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম চট্টগ্রাম ইউনিটের সভাপতি অ্যাডভোকেট এ এস এম বদরুল আনোয়ার। মামলাটি আদেশের জন্য রেখেছে আদালত।নারীর প্রতি বিদ্বেষপূর্ণ, অশালীন ও অবমাননাকর বক্তব্যের জেরে সম্প্রতি তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর পদ হারান ডা. মুরাদ হাসান।সম্প্রতি ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে মুরাদ হাসানের ফোনালাপের একটি অডিও ছড়িয়ে পড়ে। যেখানে একজন চিত্রনায়িকার সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি নোংরা ও অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেন। একই সঙ্গে তাকে হুমকিও দেন।
এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন মুরাদ হাসান।২০১৯ সালের মে মাসে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে মুরাদ হাসানকে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল।
তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট














