প্রতিমন্ত্রী থেকে সদ্য পদত্যাগ করা ডা. মুরাদ হাসানের সংসদ সদস্য থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ বুধবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন।
রিটে জামালপুর-৪ আসনের মুরাদ হাসানে কর্মকাণ্ডের বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তও চাওয়া হয়েছে। এর আগে, মঙ্গলবার তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়।এর আগে, মন্ত্রিসভা পরিষদে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগপত্র জমা দেন ডা. মুরাদ হাসান। পরে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানান, তাকে দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে কার্যনির্বাহী কমিটির সভায়।
বেফাঁস মন্তব্য ও অশ্লীল ফোনালাপ ভাইরাল হওয়ার পর সমালোচনার মুখে পড়েন ডা. মুরাদ হাসান। সোমবার তার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে জানান ওবায়দুল কাদের। মঙ্গলবারের মধ্যে তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
বেশ কয়েকদিন ধরে বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে আলোচনায় ছিলেন ডা. মুরাদ। এর মধ্যে ঢাবি নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে তার কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যও ভাইরাল হয়।
এছাড়া সোমবার সাবেক এই প্রতিমন্ত্রীর একটি কথোপকথন ফাঁস হয়, যেখানে তিনি অশ্লীল ভাষায় চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহিকে তার সঙ্গে দেখা করার জন্য বলেন। ফোনে চিত্রনায়ক ইমনকে তিনি বলেন, ঘাড় ধরে যেন মাহিকে তার কাছে নিয়ে যান। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন মহলে ডা. মুরাদের শাস্তির দাবি ওঠে।
তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট














