সর্বোচ্চ আদালতের আদেশে ফৌজদারি বিচারিক ক্ষমতা হারালেন বিচারক মোছাম্মত কামরুন্নাহার। স্থগিতাদেশ থাকার পরও ধর্ষণের মামলার আসামি আসলাম শিকদারকে জামিন দেয়ার মামলায় এ আদেশ দেন আপিল বিভাগ।স্থগিতাদেশ থাকার পরও ধর্ষণ মামলার আসামি আসলাম শিকদারকে জামিন দেয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বিচারিক দায়িত্ব থেকে সদ্য প্রত্যাহার হওয়া মোছা. কামরুন্নাহারকে আপিল বিভাগে আসেন।

সোমবার সকাল নয়টা ৪০ মিনিটে আপিল বিভাগে হাজির হন তিনি। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনসহ ৫ বিচারপতির বেঞ্চে তার বিষয়ে রুদ্ধদ্বার শুনানি হয়। বেলা ১১টায় শুনানি শেষ হয়। বনানীর রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণ মামলায় বিতর্কিত পর্যবেক্ষণ দিয়ে আলোচনায় এসে প্রত্যাহার হন বিচারক মোছা. কামরুন্নাহার।

বিচারক কামরুন্নাহার আপিল বিভাগে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন কিনা অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন জানান, যেহেতু তিনি আপিল বিভাগের শুনানিতে যুক্ত ছিলেন না ফলে ক্ষমা চেয়েছেন কী না জানেন না।যে মামলায় জামিন নিয়ে কামরুন্নাহারকে তলব করা হয়েছিল, সেই ফৌজদারি আবেদন ১৫ নভেম্বর ‘রাষ্ট্র বনাম আসলাম সিকদার’ শিরোনামে আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় ১ নম্বর ক্রমিকে ওঠে।

ধর্ষণের ওই মামলায় ২০১৯ সালের ১৮ জুন হাইকোর্ট থেকে জামিন পান বেসরকারি একটি টেলিভিশনের সাবেক অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপক আসলাম সিকদার। এই জামিন আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চেম্বার আদালত একই বছরের ২৫ জুন জামিন স্থগিত করে বিষয়টি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান।

আবেদনটি আপিল বিভাগে বিচারাধীন অবস্থায় গত বছরের ২ মার্চ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ ওই আসামিকে জামিন দেন। সর্বোচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের পরও আসামিকে জামিন দেওয়ার বিষয় টি আদালতের নজরে আনে রাষ্ট্রপক্ষ।

তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে