জানা যায়, মোটা চাল প্রতি টন ৩৭০ থেকে ৩৮০ ডলার এবং চিকন চাল প্রতি টন ৪২৫ থেকে ৪৭০ ডলার মূল্যে আমদানি হয়। তবে শর্ত ছিল ৩০ অক্টোবরের মধ্যে এ সমস্ত চাল ভারত থেকে আমদানি শেষ করতে হবে। চুক্তি অনুযায়ী শনিবার ছিল চাল আমদানির শেষ দিন। ৩১ অক্টোবর থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আর চাল আমদানি করতে পারবেন না ব্যবসায়ীরা।
আমদানি রপ্তানিকারক এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহসিন মিলন বলেন, ৩১ অক্টোবরের পরে আর কোন ভারতীয় চালের আমদানি হয়নি। কাস্টমস কর্তৃপক্ষও এসব চালের আমদানি করতেও দেয়নি। এরমধ্যে চাল আমদানি করতে হলে তাকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে পুরো ডিউটি দিতে হবে। সেটা ৬২.৫০ শতাংশ ডিউটি, আগে ছিরো ২৫% ডিউটি।
দেশে প্রতি বছর চালের চাহিদা রয়েছে ২ কোটি ৩১ লাখ ৮২ হাজার টন। ২০১৯ সালে দেশে চাল উৎপাদন হয় ৩ কোটি ৬৫ লাখ টন। ২০২০ সালে ৩ কোটি ৭৪ লাখ টন এবং ২০২১ সালে ৩ কোটি ৭৮ লাখ টন।
তবে বৈরি আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে মাঝে মধ্যে দেশে চাল আমদানির প্রয়োজন হয়। কিন্তু কিছু আমদানিকারকেরা সারা বছর ধরে চাল আমদানি করে। এতে ভরা মৌসুমে চাল আমদানির কারণে চাষিরা ন্যায্যমূল্য না পেয়ে আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়। এতে সরকার চাষিদের বাঁচাতে চাহিদা মতো চাল আমদানিতে আমদানিকারকদের তালিকা ও চাল আমদানির পরিমাণ নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেন।
বেনাপোল কাস্টমসের ডেপুটি কমিশনার মো. মুস্তাফিজুর রহমান জানান, রবিবার সকাল থেকে চাল আমদানির কোন গেট পাশ হয়নি। ভারত থেকে চালের কোন চালান আমদানি হয়নি। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী শনিবার ছিল চাল আমদানির শেষ দিন। পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি বন্ধ থাকবে।
তথ্যঃ ডিবিসি নিউজ














