চতুর্থ প্রজন্মের ফোরজি সেবায় গতিসীমার বাধ্যবাধকতা উঠে যাওয়ায় কাঙ্খিত সেবা নিয়ে আশঙ্কায় গ্রাহকরা। তবে অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটব বলছে, বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ তৈরি হলে উন্নত হবে নেটওয়ার্ক বাড়বে সেবার মান। এজন্য সঞ্চালন লাইন টানারও অনুমতি চান তারা।

২০১৩ সালে দেশে চালু হয় তৃতীয় প্রজন্মের ইন্টারনেট বা থ্রিজি সেবা। পাঁচ বছর পার হলেও এখনো মানসম্মত সেবা দিতে পারেনি অপারেটররা। এমন বাস্তবতায় চলতি বছরের মাঝামাঝিতে বিভাগীয় শহরে চালু হতে যাচ্ছে চুতর্থ প্রজন্মের ইন্টারনেট বা ফোরজি সেবা। নীতিমালায় শুরুতে ১ জিবিপিএস, পরে ১০০ এমবিপিএস এবং শেষে ২০ এমবিপিএস গতি রাখা হয়। কিন্তু অপারেটরেটদের দাবির মুখে গতির বাধ্যবাধকতা তুলে দেয়া হয়। ফলে কাঙ্থিত সেবা নিয়ে শঙ্কায় গ্রাহকরা।

ইন্টারনেটের গতি বাড়াতে কিছু এলাকায় সঞ্চালন লাইন টানারও অনুমতি চান অপারেটররা।বিটিআরসি বলছে, গতির বাধ্যবাধকতা না থাকলেও দিক নির্দেশনার মাধ্যমে গুণগত সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।বিভিন্ন দেশে থ্রিজির গড় গতি ৪ দশমিক ৪ এমবিপিএস হলেও বাংলাদেশে এক এমবিবিএসের কম। বিশ্বজুড়ে ফোরজির নূন্যতম গতি ৫ এমবিপিএস।

অনলাইন ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে