আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা বাড়ছে নোনা ইলিশ ও ডিমের। এছাড়াও উত্তরবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ভালো চাহিদা থাকায় লাভবানও হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। নরম ও পচা ইলিশ লবণ দিয়ে প্রক্রিয়াজাত করে কোটি টাকা বাণিজ্য করছেন তারা। গবেষকরা বলছেন, ব্যাপক চাহিদা থাকায় চাঁদপুরে নোনা ইলিশের শিল্প গড়ে উঠার ভাল সম্ভাবনা রয়েছে।

ইলিশের মৌসুমে চাঁদপুর বড় স্টেশন মাছঘাটে প্রতিদিন আসে কয়েকশ মণ মাছ। এসব মাছ জেলেদের নৌকায় সংরক্ষণ করতে হয় কয়েক দিন। বরফ, মাছের চাপ এবং পরিবহনের সময়ও কিছু ইলিশ নরম হয়ে যায়। সেই মাছ দিয়ে তৈরি হয় নোনা ইলিশ। পেট থেকে ডিম বের করে কেটে লবণ দিয়ে রাখা হয় ছয়-সাত দিন। পরে তা লবণ মিশ্রিত পানিতে ডুবিয়ে অন্তত এক বছর সংরক্ষণ করা যায় এসব মাছ। এক মণ ইলিশ থেকে পাঁচ-ছয় কেজি ডিম সংরক্ষণ করা যায়। চাহিদা বেশি থাকায় এসব ডিম ১২-১৩শ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়। যা দেশের বিভিন্ন রেস্টুরেন্টসহ ইউরোপ-আমেরিকায় রফতানি হয়।

নদীতে যখন ইলিশ থাকে না তখন চাহিদা বাড়ে নোনা ইলিশের। শীতের সময় ব্যাপক চাহিদা থাকায় বিভিন্ন জেলায় প্রকারভেদে ৪০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি করা হয়।

চাঁদপুর মৎস্য গবেষণা ইনিস্টিটিউটের কর্মকর্তারা জানান, স্বাস্থ্যসম্মত ও আধুনিক পদ্ধতি লবণ ইলিশ দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়। ফলে চাঁদপুরে নোনা ইলিশের শিল্প গড়ে উঠার ভাল সম্ভাবনা আছে। চলতি মৌসুমে চাঁদপুরে ৫শ মেট্রিক টন লবণ-ইলিশ সংরক্ষণ করা হবে।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে