বাঙ্গালির বারো মাসে তের পার্বণ লেগেই থাকে। আর এই পালা-পার্বণকে রাঙ্গিয়ে তুলতে ফুলের কোন বিকল্প নাই।মৌসুমের শেষ উৎসবে বাজার ধরতে ব্যস্ত ফুলের রাজধানী খ্যাত যশোরের গদখালীর ব্যবসায়ীরা। এবার পহেলা বৈশাখে দুই কোটি টাকার ফুল বেচাকেনার লক্ষ্য তাদের। তবে প্লাস্টিকের ফুল আমদানির কারণে বাজার হারানোর শঙ্কা ব্যবসায়ীদের।
ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল পাঁচ মাস ফুল বিক্রির ভরা মৌসুম। সে অনুযায়ী পহেলা বৈশাখ মৌসুমের শেষ উৎসব। তাই বৈশাখকে ঘিরে ব্যস্ত ফুল চাষীরা।গদাখালির ফুল সরবরাহ হয় ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, রাজশাহীসহ বিভিন্ন জেলা শহরে। কিন্তু পরিবহন ব্যবস্থা ভাল না হওয়ায় অনেক সময় ফুল নষ্ট হয়ে যায়। এতে লোকসান গুণতে হয় চাষীদের।বাগান করতে বছরে গড়ে আট থেকে ১০ লাখ টাকা খরচ হয় চাষীদের। বাজার ভাল থাকলে পাঁচ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত মুনাফা করা সম্ভব বলে জানান চাষীরা। তবে চীন থেকে আমদানি করা প্লাস্টিকের ফুলের কারণে ইতোমধ্যেই ফুলের বাজারে ধস নামতে শুরু করেছে।
যশোরে গদখালী ফুলের ব্যবসায়ী সমিতির একজন জানান বিদেশ থেকে ফুল আমদানী করলে দেশিয় বাণিজ্যিক ফুল যেগুলো আমরা চাষ তা ক্ষতির মুখে পড়বে। তাই সরকারের প্রতি আবেদন ফুল শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে বিদেশ থেকে ফুল আমদানী বন্ধ করা হোক। যশোরে ফুল ব্যবসার সাথে জড়িত ৫০ হাজারেও বেশি মানুষ।
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইমস নিউজ














