জনশক্তি রপ্তানি প্রক্রিয়ায় ৬৭ ভাগ অর্থই যায় দালালদের পকেটে। এছাড়া ভিসা ছাড়পত্রের ক্ষেত্রে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা অতিরিক্ত নেয়ারও অভিযোগ আছে। এভাবে ধাপে ধাপে দুর্নীতির শিকার হয় ৯০ ভাগ বিদেশগামী শ্রমিক। সম্প্রতি প্রকাশিত টিআইবি’র প্রতিবেদনে উঠে আসে জনশক্তি খাতের নানাবিধ দুর্নীতির অভিযোগ।
এ বছর ১০ লাখ শ্রমিককে বিদেশে পাঠনোর আশা করছে বাংলাদেশ জনশক্তি উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো- বিএমইটি। মঙ্গলবার সকালে রিপোর্টার্স ফর বাংলাদেশি মাইগ্রেন্টস আরবিএম’র এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এ তথ্য দেয় সংস্থাটি। এসময় টিআইবির সাম্প্রতিক প্রতিবেদনকে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক বলেছেন প্রবাসী-কল্যাণ মন্ত্রী।

তবে মতবিনিময় সভায় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী এ প্রতিবেদনকে মিথ্যা তথ্যনির্ভর বলে মন্তব্য করেন। এর পেছনে ষড়যন্ত্র আছে বলেও মনে করেন তিনি। শ্রমবাজার দিন দিন বড় হচ্ছে। খুলছে নতুন বাজার। তাই এ বছর রেকর্ড পরিমাণ শ্রমিক বিদেশে পাঠানো সম্ভব হবে বলে আশা করে বিএমইটি।
এছাড়া মালয়েশিয়া সরকারের চাহিদা অনুযায়ী নির্দিষ্ট দশটি এজেন্সির মাধ্যমে শ্রমিক পাঠনো হচ্ছে বলেও জানায় প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ














