জার্মানির ওপর চীনের বিরুদ্ধে মানবাধিকার প্রশ্নে কঠোর অবস্থান নেয়ার চাপ বাড়ছে। কিন্তু ম্যার্কেল সরকারের নীরবতা ভাঙার কোনো লক্ষণ নেই। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবস্থাও নিশ্চুপ। দেড় দশক ধরে আঙ্গেলা ম্যার্কেল জার্মানির চ্যান্সেলর। এ সময়ে ১২বার বেইজিং সফর করেছেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার হয়েছে। ২০১৯ সালে দুই হাজার ৬০০ কোটি ইউরোর বাণিজ্য হয়েছে দুই দেশের মধ্যে।

জার্মানির সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার এখন চীন। ইউরোপ জুড়ে বাণিজ্যের প্রসার ঘটিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নেরও দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার হয়ে গেছে দেশটি। এক্ষেত্রে তাদের চেয়ে এগিয়ে আছে শুধু যুক্তরাষ্ট্র। অন্য দিকে চীনে মানবাধিকার লঙ্ঘন বাড়ছে। উইগুর ইস্যু অনেকদিন ধরেই চীনের অস্বস্তির কারণ। সম্প্রতি সঙ্গে যোগ হয়েছে হংকংয়ে কার্যকর করা জাতীয় নিরাপত্তা আইন। এসবের বিরুদ্ধে জার্মানির কঠোর অবস্থানের দাবি তুলছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো।

জার্মানির রাজনীতিবিদরাও তুলছেন একই দাবি। কিন্তু জার্মানি একেবারে নীরব। কারণ এবং জার্মানির প্রকৃত দৃষ্টিভঙ্গিই যেন তুলে ধরেছেন জার্মান শিল্পপতি সিমেন্সের প্রধান জো কায়জার। গত সেপ্টেম্বরে ম্যার্কেলের বেইজিং সফর সম্পর্কে তিনি জার্মান ভাষায় বলেছিলেন, ‘ভান্ডেল ডুর্শ হান্ডেল’, অর্থাৎ ‘বাণিজ্যের মধ্য দিয়ে পরিবর্তন’৷ এভাবে দুই দেশের সম্পর্কে বাণিজ্য যে বিপুল প্রভাব ফেলছে তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করার পর সিমেন্স প্রধান আরেও বলেছিলেন, চীনের প্রতি জার্মানির দৃষ্টিভঙ্গি ‘সুচিন্তিতি এবং সম্মানজনক’ হতে হবে। সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য সব ধরণের বিতর্ক এড়িয়ে চলার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দিয়েছিলেন তিনি।

আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে