বগুড়ার শেরপুরে চলতি মৌসুমে প্রায় ৫৫হাজার মেট্রিকটন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে আমন চাষে মাঠে নেমেছেন কৃষকরা। ঝড় বৃষ্টিসহ সব ধরনের বাঁধা বিপত্তি উপেক্ষা করে তাঁরা এখন মাঠে রয়েছেন। ইতিমধ্যে অনেক এলাকার কৃষকরা জমিতে রোপা আমন ধান লাগিয়েছেন। আবার অনেকেই জমি তৈরীতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। এছাড়া আগামি ৭-৮দিনের মধ্যেই এখানে পুরোদমে জিরাশাইল ও পারিজাত ধান কাটা শুরু হবে। একইসঙ্গে ওইসব জমিতেও আমন ধানের চারা লাগানো হবে। আর এরই মধ্যদিয়ে চলতি আমন মৌসুমের ধান লাগানোর কাজ সমাপ্ত হবে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে এই উপজেলায় প্রায় ২০হাজার ১৫০হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৪হাজার ৭৬৮মেট্রিকটন। ইতিমধ্যে প্রায় ১৩হাজার হেক্টর জমিতে কৃষক আমন ধানের চারা লাগিয়েছেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চলতি মৌসুমে আমন চাষে কৃষক কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন। অনেকেই জমি প্রস্তুত ও বীজতলা থেকে চারা তুলছেন। আবার অনেক চাষি আমন ধানের চারা লাগাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এসময় উপজেলার মামুরশাহী গ্রামের আব্দুল হাই সিদ্দিকী হেলাল, সোহেল হাজী, সাধুবাড়ী গ্রামের শহিদুল ইসলাম সদের, গোলাম রব্বানীসহ একাধিক কৃষক জানান, আমন ধান লাগানোর উপযুক্ত সময়ও এখনই। তাই তাঁদের ঘরে বসে থাকারও খুসরত নেই। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়েই ছুটতে হচ্ছে ফসলের মাঠে। অন্যান্য বছর তীব্র খরার কারণে পানির তীব্র সংকট দেখা দেয়। ফলে সেচ কাজও ব্যহৃত হয়। তবে এবার সময়মত প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত হওয়ায় সেই সমস্যা নেই। ফলে বৃষ্টির পানি দিয়েই এলাকার চাষিরা আমন চাষ করছেন তাঁরা জানান। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খাজানুর রহমান বলেন, চলতি রোপা-আমন মৌসুমের শুরুতে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে। পানি সংকটের কারণে জমি প্রস্তুত করতে কোন সমস্যা হয়নি। এছাড়া সবকিছুই এবার কৃষকের অনুকূলে থাকায় আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে এই কর্মকর্তা আশা প্রকাশ করেন।
মোঃ মিষ্টার আলী মিলন
বগুড়া, বিডি টাইমস নিউজ ।














