সড়ক শৃঙ্খলা এখন ঘুরপাক খাচ্ছে নানা তদন্ত কমিটির সুপারিশমালার মধ্যেই। বাস্তবে পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি মোটেও। যানবাহন মালিক-শ্রমিকের জবাবদিহিতা না থাকা সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানের উদাসীনতা আর সমন্বয়হীনতার কারণেই এ অবস্থা মত বিশ্লেষকদের। তারা বলছেন সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে, সমাধানের পথও দেখানো হয়েছে সুপারিশমালায়। এখন শুধু দরকার, সুপারিশ বাস্তবায়নে সরকারের কঠোর অবস্থান।

বাসচাপায় রমিজউদ্দীন কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু এবং পরবর্তীতে ছাত্রদের সড়ক নিরাপত্তা আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি হয়েছে দফায় দফায়। সুপারিশও তৈরি হয়েছে। কিন্তু গেল আট মাসেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি খুব বেশি, কমছেনা সড়ক দুর্ঘটনা। দুর্ঘটনা রোধ আর সড়কে শৃঙ্খলা আনতে সাবেক নৌমন্ত্রী শাজাহান খানকে আহ্ববায়ক করে গঠিত তদন্ত কমিটির ১১১ সুপারিশ বাস্তবায়নেও আছে সংশয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, গত পাঁচ বছরে সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কয়েক হাজার সুপারিশ জমা পড়েছে সরকারি দপ্তরে। কিন্তু কোন প্রক্রিয়ায়, কার তত্ত্বাবধানে সেগুলো বাস্তবায়ন হবে- সেই জটিলতায় আটকে আছে সড়ক নিরাপত্তা। রাজধানী ঢাকায় সড়ক ব্যবস্থা নিরাপদ করতে গত বছরের ১৮ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেয়া হয় ৯ দফা নির্দেশনা। রাস্তায় চলার সময় বাসের মূল দরজা বন্ধ রাখা, বাস-স্টপের বাইরে যাত্রী-ওঠানামা না করানো, চালক-সহকারির লাইসেন্স বাসে ঝুলিয়ে রাখাসহ সহজে বাস্তবায়ন করার মতো কিছু নির্দেশনা ছিল তাতে। কিন্তু ৭ মাস পেরিয়ে গেলেও নির্দেশনার বাস্তবায়ন নেই।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সবশেষ প্রতিবেদনের তথ্য, বাংলাদেশে বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় প্রায় ২৫ হাজার মানুষের। ২০১৬ সালের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন করা হয়।

তথ্যঃ ইন্ডিপেন্ডেন্ট
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে